রোববার বেলা ২টা পর্যন্ত ছিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের জন্য আবেদনের শেষ সময়। তরফদার রুহুল আমিনের বিষয়টি নিয়ে বৈঠকে বসেছে নির্বাচন কমিশন। তার আবেদন বৈধ প্রমাণিত হলে সহ-সভাপতি পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হবেন ইমরুল হাসান।
তরফদার রুহুল আমিন ৫টি গুরুতর অভিযোগ এনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। বাফুফে সাধারণ সম্পাদক বরাবর লেখা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের চিঠিতে তিনি লিখেছেন, ‘আসন্ন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন কর্তৃক আয়োজিত, প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন ২০২৪ এর সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রার্থী পদ থেকে নিম্নলিখিত কারণে আমি আমার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করলাম।’
.png)
১. আইন না মেনে ডেলিগেট ফরম সরাসরি হাতে হাতে প্রদান করা।
২. ফিফা কর্তৃক নিষিদ্ধ এবং বাফুফে থেকে বহিষ্কৃত সেক্রেটারি মো. আবু নাঈম সোহাগ কর্তৃক নির্বাচন বিধিমালা প্রকাশ ও বিতরণ।
৩. প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন কমিশন গঠন। কারণ, উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে পরপর পাঁচবার একই দায়িত্বে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।
৪. নির্বাচন আয়োজনে স্বচ্ছ পরিবেশ তৈরি করতে না পারা।
৫. নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ না থাকা।
এদিকে, রুহুল আমিনের আবেদনের বৈধতা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। তিনি সাধারণ সম্পাদক বরাবর পাঁচটি কারণ দেখিয়ে প্রত্যাহারপত্র দেন। কিন্তু বাফুফে নির্বাচনী বিধিমালায় সকল আবেদন প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর জমা দিতে হয়। ফলে তার প্রত্যাহারের আবেদন নিয়মমাফিক হয়নি।