ইউরোপের পাঠ চুকিয়ে দুজনেই বর্তমানে ভিন্ন দুই মহাদেশে খেলেন। বার্সেলোনা, পিএসজির পর লিওনেল মেসি এখন খেলছেন আমেরিকার মেজর লিগ সকারের দল ইন্টার মায়ামিতে। অন্যদিকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়াল মাদ্রিদ, জুভেন্টাসে রাজ করে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো খেলছেন সৌদি প্রো লিগের দল আল নাসরে।
কত পুরোনো রেকর্ড ভেঙেছেন মেসি ও রোনালদো, গড়েছেন নতুন রেকর্ড। গোলের রেকর্ডে আবার খোদ মেসিকেই ছাপিয়ে গেছেন ক্রিস্টিয়ানো! এখনও পর্যন্ত সব মিলিয়ে ৯০৬ গোল করে সবার উপরে আছেন পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। তাকে ছুঁতে মেসির প্রয়োজন আরও ৬৩ গোল।
.png)
ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত ৮৪৩ গোল করেছেন আর্জেন্টাইন গ্রেট লিওনেল মেসি। গোলের দিক থেকে পিছিয়ে থাকলেও অ্যাসিস্টের দিক দিয়ে আবার এগিয়ে আছেন লিও। ক্যারিয়ারে এ পর্যন্ত ৩৭৫টি অ্যাসিস্ট করেছেন তিনি। বিপরিতে ২৫৫টি অ্যাসিস্ট করেছেন পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিস্টিয়ানো।
ইউরোপ ছাড়ার আগেও গোলসংখ্যায় এগিয়ে ছিলেন সিআর সেভেন। আল নাসরে যোগ দেওয়ার আগে তার গোল ছিল মোট ৮৩৪টি, অ্যাসিস্ট সংখ্যা ছিল ২৩৭টি। অন্যদিকে ইন্টার মায়ামিতে আসার আগে মেসির গোলসংখ্যা ছিল ৮১৩টি, অ্যাসিস্ট ছিল ৩৫৮টি।
সব মিলিয়ে শুধু ক্লাবের হয়ে ৭৭৩ গোল করেছেন রোনালদো, গোলে সহায়তা করেছেন ২১৯ বার। মেসির গোলসংখ্যা ৭৩৪টি, অ্যাসিস্ট আছে ৩২০টি। এর মধ্যে ইউরোপিয়ান ক্লাবের হয়ে দুজনের গোলসংখ্যা প্রায় সমান সমানই ছিল। মেসির ৭০৪ গোলের বিপরিতে রোনালদোর গোলসংখ্যা ৭০১টি। মেসির অ্যাসিস্ট যেখানে ৩০৩টি, রোনালদোর সেখানে ২০১টি।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও মেসির চেয়ে এগিয়ে আছেন সিআর সেভেন। রোনালদোর ১৪০ গোলের বিপরিতে মেসি করেছেন ১২৯ গোল। দুজনের অ্যাসিস্টও প্রায় সমান, ক্রিস্টিয়ানোর ৪১টি অ্যাসিস্টের বিপরিতে লিওর অ্যাসিস্ট ৪০টি। ক্লাব বিশ্বকাপে রোনালদোর আছে ৭ গোল, আর মেসির গোল ৫টি।
জাতীয় দলের জার্সিতেও এগিয়ে পর্তুগিজ সুপারস্টার। আন্তর্জাতিক ম্যাচে গোল করেছেন মোট ১৩৩টি, অ্যাসিস্ট ৩৬টি। অন্যদিকে আকাশী-সাদা জার্সিতে ১০৯ গোল করেছেন এলএমটেন, অ্যাসিস্ট করেছেন ৫৫টি।