ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ খেলা ]

মামলার রায়ে ম্যানসিটি ও ইপিএলের পরস্পরবিরোধী জয়ের দাবি

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৪:৫৬, ৮ অক্টোবর ২০২৪
মামলার রায়ে ম্যানসিটি ও ইপিএলের পরস্পরবিরোধী জয়ের দাবি
ম্যানচেস্টার সিটি ও ইপিএলের লোগো

আর্থিক অনিয়মের দায়ে গত ১৪ বছরে ম্যানচেষ্টার সিটির বিরুদ্ধে উঠেছিল ১১৫টি অভিযোগ। এ সকল অভিযোগের প্রেক্ষিতে রায় দিয়েছে যুক্তরাজ্যের আর্থিক আদালত। এরপর মামলায় বাদী ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ (ইপিএল) ও বিবাদী ম্যানসিটি উভয়ই জয়ের দাবি করেছে।

ইংলিশ ক্লাবটির বিরুদ্ধে ১১৫টি অভিযোগের মধ্যে ৫৪টিই ২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত সঠিক আর্থিক তথ্য না দেওয়ার জন্য দায়ের করা হয় । ২০১৮ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে প্রিমিয়ার লিগের তদন্তে ৩৫ বার ইংলিশ জায়ান্টদের সহযোগিতা না করার অভিযোগ উঠেছিল। যদিও মামলাটি সিটির আর্থিক নীতি ভঙ্গের ১১৫টি অভিযোগসংক্রান্ত নয়। অ্যাসোসিয়েটেড পার্টি লেনদেন (এপিটি) নীতি নিয়ে দলটি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল।

ক্লাবের মালিকদের সঙ্গে সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বাণিজ্যিক চুক্তিতে বাজারমূল্যের ন্যায্যতা নিশ্চিতের জন্য এপিটি নীতি জারি হয়েছিল। ম্যানসিটির দাবি ছিল, বাণিজ্যিক চুক্তির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানগুলো একে অপরের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অক্ষম।

Advertisement

আদালত সোমবার রায়ে জানিয়েছে, প্রিমিয়ার লিগের এপিটি নীতি প্রতিযোগিতার কাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রবিধানের কিছু দিক বেআইনি এবং পুনর্নির্মাণ করা আবশ্যক। 

দুটি স্পনসরশিপ চুক্তি নিয়ে প্রিমিয়ার লিগের সিদ্ধান্ত বাতিল হয়েছে।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে সিটি বলেছে, আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছেতারা যে আর্থিক নীতি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে, সেটি ‘বেআইনি’ এবং লিগ কর্তৃপক্ষ ‘ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে’। 

অপরদিকে ইপিএল কর্তৃপক্ষের দাবি, ‘আদালত এপিটি সিস্টেমের প্রয়োজনীয়তার পক্ষেই রায় দিয়ে ম্যানচেস্টার সিটির বেশির ভাগ আপত্তি খারিজ করে দিয়েছেন। এ ছাড়া আদালত এটাও বলেছেন যে লিগের আর্থিক নিয়ন্ত্রণ কার্যকর রাখতে আইনটি প্রয়োজন।’
 

ডেইলি-বাংলাদেশ/শুভ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!