চেন্নাইয়ের লাল মাটির উইকেটে নিজেদের প্রমাণে ব্যর্থ ছিল বাংলাদেশ। তাই কানপুরে কি ঘুরে দাঁড়াতে পারবে নাকি খেয়ে হারাবে এমন প্রশ্নে আলোচনায় কানপুরের উইকেট। কেমন হবে কানপুরের পিচ?
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চেন্নাইয়ের লাল মাটির বদলে কালো মাটি থাকবে কানপুরে। বাউন্স বেশি হবে না এবং বল বেশি ক্যারিও করবে না। অর্থাৎ র্যাঙ্ক টার্নার হবে না এই পিচ।
.png)
প্রতিবেদন জানা যায়, গ্রিন পার্কের পিচ চেন্নাইয়ের তুলনায় চ্যাপ্টা হবে এবং টেস্টের এগিয়ে চলার সঙ্গে সঙ্গে বাউন্সও কমবে। চেন্নাইয়ের লাল মাটির পিচে নিয়মিত বাউন্স থাকায় দুই দলই তিন পেসার এবং দুই স্পিনার নিয়ে মাঠে নেমেছিল।
চেন্নাইতে তেমন টার্ন না থাকলেও যথেষ্ট বাউন্স ছিল স্পিনারদের জন্য। কানপুরের পিচ মন্থর হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। উইকেটে পরিবর্তন হলে দুই দলই তাদের কৌশল পরিবর্তন করতে পারে। এতে পরিবর্তন আসতে পারে একাদশেও।
ভারত তৃতীয় পেসারের পরিবর্তে একজন অতিরিক্ত স্পিনার খেলাতে পারে বলেই জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস। ধারণা হচ্ছে কুলদীপ যাদব কিংবা আকসার প্যাটেল জায়গা করে নিতে পারেন ভারতীয় দলে।
বাংলাদেশ দলও প্রথম টেস্টে দুই স্পিনার নিয়ে খেলেছে। এর দুইজনই আবার অলরাউন্ডার। তবে চেন্নাইতে বল হাতে সুবিধা করে উঠতে পারেননি সাকিব আল হাসান। বোলিং শুরুর পর থেকে আঙুলে ব্যথাও অনুভব করেছেন।
দ্বিতীয় টেস্টের আগে শুধু ব্যাটার হিসেবে খেলাবে কি-না তা নিয়ে ভেবে দেখবে টিম ম্যানেজমেন্ট।
শেষ পর্যন্ত সাকিব অলরাউন্ডার হিসেবে খেললেও নাহিদ রানার জায়গায় বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলামকে একাদশে অন্তর্ভুক্ত করতে পারে বাংলাদেশ। এছাড়াও স্কোয়াডে আছেন অফ-স্পিনার নাঈম হাসান। বিকল্প ভাবনায় আছেন তিনিও।