১৯৬০-৬১ মৌসুমে হোম সিরিজে উইন্ডিজ ও ইংল্যান্ডে ১৯৬১ সালে অ্যাশেজ সফরে তিনি পাঁচটি টেস্ট খেলে ৩৮.৫০ গড়ে ১৬ উইকেট নেন। অ্যাকিলিসের ইনজুরির কারণে তার টেস্ট ক্যারিয়ার লম্বা হয়নি। মেলবোর্ন টেস্টে ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে ৫৮ রানে ৪ উইকেট পাওয়া তার ক্যারিয়ারসেরা বোলিং ফিগার।
মিশন ৭১টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেছেন, নিউ সাউথ ওয়েলসের হয়ে যার বেশিরভাগই ছিল। ১৯৫৮ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত ছোট ক্যারিয়ারে ৩১.১৩ গড়ে ১৭৭টি প্রথম-শ্রেণির উইকেট পেয়েছিলেন।
.png)
অ্যাথলেটিকসকে খেলা হিসেবে বেছে নিলেও পরে তিনি ক্রিকেটে চলে আসেন। ১৯৫৮-৫৯ মৌসুমের শেষ ম্যাচে শেফিল্ড শিল্ডে নিউ সাউথ ওয়েলসের হয়ে ২০ বছর বয়সে ছয় উইকেট নিয়ে নিজের প্রতিভা দেখান। ১৯৫৯-৬০ শিল্ড মৌসুমের শেষে মিশন নিউজিল্যান্ড সফরে অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় একাদশে ডাক পান এবং ১২.৪৭ গড়ে ১৭ উইকেট নেন।
পরের গ্রীষ্ম মৌসুমে দ্বিতীয় টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ব্রিসবেনে বিখ্যাত টাই টেস্টের পর মেলবোর্নে তার টেস্ট অভিষেক হয়। মিশন অ্যাশেজ সিরিজের প্রথম দুটি টেস্ট খেলেন। কিন্তু অ্যাকিলিসের ইনজুরির কারণে তিনি আর টেস্ট ম্যাচ খেলেননি।
মিশনের মৃত্যুতে ক্রিকেট নিউ সাউথ ওয়েলসের প্রধান নির্বাহী লি জার্মন শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেছেন, ‘আমরা ফ্রাঙ্কের পরিবার এবং বন্ধুদের প্রতি আমাদের আন্তরিক সমবেদনা জানাই। বিশেষ করে যারা নিউ সাউথ ওয়েলসের পুরুষ দল এবং অস্ট্রেলিয়ান পুরুষ দলের অংশ হিসেবে তার সঙ্গে খেলেছে, তাদের সকলের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।’
‘ফ্রাঙ্কের কর্মজীবন চোটের কারণে ছোট হয়ে গিয়েছিল। সেটা এমন এক যুগে, যেখানে ক্রীড়া বিজ্ঞান খুব বেশি প্রচলিত ছিল না। স্বাস্থ্য, ডায়েট এবং ফিটনেসের উপর মনোযোগ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় নেয়ার প্রচলন ছিল না। এতে সন্দেহ নেই, আঘাত না থাকলে তিনি রাজ্য এবং দেশের হয়ে আরো অনেকবার খেলতেন।’