এরই মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে জয়ের নাম ঘোষণা করেছে আইসিসি। বিশ্বক্রিকেটের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ চেয়ারম্যান হলেন শাহ। মাত্র ৩৫ বছর বয়সে এই দায়িত্ব পেয়েছেন তিনি।
ভারত থেকে এর আগে চার জন আইসিসির চেয়ারম্যান হয়েছেন। জগমোহন ডালমিয়া, শারদ পওয়ার, এন শ্রীনিবাসন ও শশাঙ্ক মনোহর বিসিসিআই থেকে আইসিসিতে গিয়েছিলেন। পঞ্চম চেয়ারম্যান হলেন শাহ। চলতি বছর ১ ডিসেম্বর থেকে নতুন দায়িত্ব নেবেন তিনি।
.png)
তৃতীয়বারের জন্য আইসিসির চেয়ারম্যান হতে চাননি গ্রেগ বার্কলে। নভেম্বর মাসে তার মেয়াদ শেষ হচ্ছে। পরবর্তী চেয়ারম্যান কে হবেন তা নিয়ে অনেক দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। দৌড়ে এগিয়ে ছিলেন শাহ। তাতেই সিলমোহর পড়ল।
আগামী ৬ বছর এই পদে থাকবেন জয়। ভারতীয় ক্রিকেটের পর এবার বিশ্বক্রিকেটের শীর্ষে শাহ। নতুন দায়িত্ব পেয়ে খুশি এ কর্তা। তিনি বলেন, আইসিসির চেয়ারম্যান হয়ে আমি খুব খুশি। বিশ্ব জুড়ে ক্রিকেটের উন্নতির জন্য আমি ও আমার দল কাজ করব।
তিনি আরো বলেন, আমরা এমন একটা সময়ে দাঁড়িয়ে রয়েছি যেখানে ক্রিকেটের বিভিন্ন ফরম্যাটের মধ্যে একটি ভারসাম্য প্রয়োজন। সেই সঙ্গে ক্রিকেটে নতুন নতুন প্রযুক্তিও আসছে। এই পরিস্থিতিতে ক্রিকেটকে আরো ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ শুরু করব আমরা।
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে দ্বিতীয়বারের জন্য বোর্ড সচিবের কার্যকাল শেষ হত শাহের। লোধা কমিটির সুপারিশ মেনে তার পরে তিন বছর কুলিং অফ পিরিয়ডে যেতে হত তাকে। কিন্তু আইসিসির চেয়ারম্যান হওয়ায় সেই বিধিনিষেধ আর থাকল না।