স্তাদে জেফরয়-গিচার্দ স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধের শেষ দিকে এগিয়ে যায় মরক্কো। বিলাল এল খানুসের পাস থেকে কাছাকাছি জায়গা থেকে গোলটি করেন সুফিয়ান রাহিমি। বিরতির পর এই রাহিমির পা থেকেই ব্যবধান দ্বিগুণ করে মরক্কো।
৪৯ মিনিটে বক্সের ভেতর ইলিয়াস আখোমাখকে ফাউল করে বসেন আর্জেন্টাইন লেফটব্যাক হুলিও সোলার। স্পট কিক থেকে সুযোগ কাজে লাগাতে কোনো ভুল করেননি রাহিমি।
.png)
দুই গোলে পিছিয়ে গিয়ে দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার পরও আত্মবিশ্বাস হারায়নি আকাশী-নীলরা। ৬৮ মিনিটে সোলারের অ্যাসিস্ট থেকে গোল শোধ দেন গিলিয়ানো সিমিওনে। আতলেতিকো মাদ্রিদের কোচ দিয়েগো সিমিওনের ছেলে তিনি।
তবুও ম্যাচশেষের সময় যত ঘনিয়ে আসছিল ততই যেন বাড়ছিল আর্জেন্টিনার হারের শঙ্কা। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের পর ইনজুরি টাইমে খেলা হয় আরো ২০ মিনিটের মতো। এর ফাঁকেই হার বাঁচাতে সক্ষম হয় আর্জেন্টিনা। যোগ করা সময়ের ১৬ মিনিটে ক্রিস্তিয়ান মেদিনার হেড জালে জড়ালে স্বস্তি নিয়ে মাঠ ছাড়ে তারা।
এদিকে উজবেকিস্তানকে ২-১ গোলে হারিয়ে আসর শুরু করেছে স্পেন।