বার্লিনের অলিম্পিক স্টেডিয়ামে ইউরোর ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে দুদল। ম্যাচের প্রথমার্ধে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি কোনো দলই। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমেই দলকে গোলের আনন্দে ভাসান নিকো উইলিয়ামস। ম্যাচের ৭৩তম মিনিটে দলকে সমতায় ফেরান কোল পালমার।
ম্যাচের শুরু থেকেই উইং ব্যবহার করে ইংলিশ রক্ষণে হানা দেওয়ার চেষ্টা করে স্প্যানিশরা। লেফট উইংয়ে নিকো উইলিয়ামস গতি দিয়ে পরাস্ত করার চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু কাইল ওয়াকারও ছিলেন সতর্ক।
.png)
একটু পরেই পর পর দুটি আক্রমণ করে ইংল্যান্ড। কিন্তু জুড বেলিংহাম- ফিল ফোডেনরা প্রতিপক্ষের বক্সে গিয়ে খেই হারিয়েছেন। এরপর খেলার নিয়ন্ত্রণ নেয় স্প্যানিশরা। তবে জন স্টোনস, লুক শ’রা ছিলেন সিদ্ধহস্ত। লামিন ইয়ামাল-মোরাতাদের সেভাবে সুযোগ দেয়নি।
যোগ করা সময়ে ফোডেনের শট উনাই সিমন আটকে দিলে প্রথমার্ধে গোলের মুখ খুলতে পারেনি ইংল্যান্ডও।
দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমেই দলকে এগিয়ে নেন উইলিয়ামস। ৪৭তম মিনিটে তাকে সহায়তা করেন লামিনে ইয়ামাল। বার্সা তারকার ডিফেন্স চেরা পাস থেকে ইংলিশদের জাল কাঁপিয়ে দেন উইলিয়ামস।
ম্যাচের ৭৩তম মিনিটে ইংল্যান্ডকে সমতায় ফেরান কোল পালমার। তাকে সহায়তা করেন জুড বেলিংহাম। তার বল পেয়ে বক্সের বাইরে থেকে কোনাকুনি শটে সিমোন উনাইকে বোকা বানিয়ে গোল আদায় করেন চেলসি তারকা।