জার্মানির কোলন স্টেডিয়ামে জর্জিয়াকে ৪-১ গোলে হারিয়েছে স্পেন। দলের হয়ে একটি করে গোল করেন রদ্রি, ফাবিয়ান রুইজ, নিকো উইলিয়ামস ও দানি ওলমো।
এই জয়ে কোয়ার্টারের টিকিট পেল স্পেন। যেখানে তাদের জন্য অপেক্ষা করছে স্বাগতিক জার্মানি।
.png)
ম্যাচটিতে ৭৬ শতাংশ বল দখলে রেখে প্রতিপক্ষর ডেরায় ৩৫টি শট নেয় স্পেন। যার ১৩টি লক্ষ্যে ছিল। অন্যদিকে ২৪ শতাংশ বল নিজেদের পায়ে রেখে ৪টি শট নেয় জর্জিয়া। তবে একটি বল স্প্যানিশদের গোলপোস্টে রাখতে পারেনি তারা।
ম্যাচের শুরুর দুই মিনিটেই ফাবিয়ান রুইজের বাঁ-পায়ের শট রুখে দেয় জর্জিয়ার ডিফেন্ডাররা। এর মিনিট তিনেক পর দানি কার্ভাহালের অ্যাসিস্ট থেকে পেদ্রির বাঁপায়ের শট রুখে দেন জর্জিয়ার গোলরক্ষক জিওর্গি মামারদাশভিলি।
দশম মিনিটে আবারো আক্রমণে ওঠে স্পেন। এবার কার্ভাহালের হেড সেভ করেন জর্জিয়ার গোলরক্ষক। এরপর নিয়মিত বিরতিতে আক্রমণ করতে থাকে ২০১২ সালের চ্যাম্পিয়নরা। তবে গোল পাচ্ছিল না তারা।
১৮তম মিনিটে আত্মঘাতী গোল হজম করে স্পেন। ডিফেন্ডার রবিন লে নরম্যান্ডের পেটে লেগে বল চলে যায় জালে। এতে ১-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে স্পেন। এই গোল শোধ করতে স্পেনকে অপেক্ষা করতে হয়েছে ৩৯তম মিনিট পর্যন্ত।
নিকো উইলিয়ামসের অ্যাসিস্টে বাঁপায়ের দুর্দান্ত শটে গোল করেন রদ্রি। এতে ১-১ সমতায় ফেরে স্পেন। প্রথমার্ধের বাকি সময়ে আর গোল হওয়ায় বিরতিতে যায় দুদল।
দ্বিতীয়ার্ধে জর্জিয়াকে বলতে গেলে কোনো সুযোগই তৈরি করতে দেয়নি স্পেন। ৫১তম মিনিটে ফেবিয়ান রুইজের গোলে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্প্যানিশরা। লামিন ইয়ামালের ক্রস থেকে দারুণ হেডে গোল করেন তিনি।
৭৫তম মিনিটে আবারো এগিয়ে যায় স্পেন। এবার ডান পায়ের দুর্দান্ত শটে গোল করেন নিকো উইলিয়ামস। তাকে সহায়তা করেন ফাবিয়ান রুইজ। এতে ব্যবধান দাঁড়ায় ৩-১।
ম্যাচের ৮৩ মিনিটে আরো একবার জর্জিয়ার জালে বল জমা করে স্পেন। এবার গোল করেন দানি ওলমো। মাইকেল ওয়ারজাবালের অ্যাসিস্টে বাঁপায়ের দারুণ শটে জর্জিয়ার জাল কাঁপানা তিনি। এতে ব্যবধান ৪-১ করেন স্পেন।
অবশেষে এই ব্যবধান নিয়েই কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করে স্পেন। আগামী ৫ জুলাই (শুক্রবার) স্টুটগার্টে মুখোমুখি হবে জার্মানি ও স্পেন।