ইউরোপিয়ান শ্রেষ্ঠত্বের টুর্নামেন্ট ইউরো এবং লাতিন ফুটবলের সর্বোচ্চ টুর্নামেন্ট কোপা আমেরিকা চলছে একই সময়ে। ইউরোতে নিজের দলকে শিরোপা জেতানোর জন্য লড়ছেন ৩৯ বছর বয়সী ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। অন্যদিকে, মেসি খেলছেন আর্জেন্টিনার হয়ে কোপা আমেরিকায়। দুজনেই নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাদের দলকে।
ইউরোতে গ্রুপ পর্বের ৩ ম্যাচের দুটিতে জিতে শেষ ষোল নিশ্চিত করেছে পর্তুগাল। কোপা আমেরিকায় আর্জেন্টিনাও নিশ্চিত করেছে কোয়ার্টার ফাইনাল। তবে দুই টুর্নামেন্টে মেসি এবং রোনালদোর দল ভালো করলেও ব্যক্তিগত কোনো নৈপুণ্য দেখাতে পারেননি এই দুই তারকা।
.png)
কোপা আমেরিকার গ্রুপ পর্বের প্রথম দুই ম্যাচে মাঠে নেমে কোনো গোলের দেখা পাননি মেসি। একই হাল রোনালদোরও। ইউরোতে গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচেই মাঠে নেমেছিলেন তিনি। তবে তিনিও পাননি জালের দেখা।
রোনালদোর ক্যারিয়ারে এবারই প্রথম ঘটল এমন ঘটনা। ইউরোতে এর আগে কখনোই গ্রুপ পর্বে গোলশূন্য ছিলেন না তিনি। মেসির অবশ্য এই অভিজ্ঞতা আগেই হয়েছে। নিজের প্রথম দুই কোপা আমেরিকায়ই গ্রুপ পর্বে কোনো গোল করতে পারেননি তিনি।
২০০৪ সালে ইউরো অভিষেক হয় রোনালদোর। সেবার গ্রুপ পর্বে একটি গোল করেছিলেন তিনি। নিজের দ্বিতীয় ইউরোতেও একটির বেশি গোল পাননি সিআরসেভেন। ২০১২ সালে রোনালদোর গ্রুপ পর্বে গোলের সংখ্যা বাড়ে। সেবার দুটি গোল করেন এই তারকা। ২০১৬ সালের অর্থাৎ পর্তুগালের শিরোপা জয়ের টুর্নামেন্টেও গ্রুপ পর্বে দুই গোল করেছেন রোনালদো। চলমান ইউরোর আগের টুর্নামেন্টে করেছিলেন ৫ গোল। এবার সেই রোনালদোই কোনো জালের দেখা পেলেন না গ্রুপ পর্বে।
এবারের আসরের প্রথম ম্যাচে গোলের কোনো সুযোগই পাননি রোনালদো। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে সুযোগ পেয়েও নিজে গোল করেননি তিনি, সতীর্থ ব্রুনো ফার্নান্দেজের উদ্দেশে বাড়িয়ে দেন বল। আর শেষ ম্যাচে জর্জিয়ার বিপক্ষে একাধিকবার গোলবঞ্চিত হন রোনালদো। আর ম্যাচটিও পর্তুগাল হেরে যায় ২–০ গোলে।
সর্বশেষ ৪ কোপা আমেরিকার সবগুলোতে গ্রুপ পর্বে গোলের দেখা পেয়েছেন মেসি। এবারের আসরের প্রথম ম্যাচে একটি গোলে সহায়তা করলেও জালের দেখা পাননি তিনি। দ্বিতীয় ম্যাচে কোনো গোলেই অবদান ছিল না তার। পেরুর বিপক্ষে আর্জেন্টিনার তৃতীয় ম্যাচে মাঠেই নামানো হয়নি এই মহাতারকাকে। ফলে ক্যারিয়ারের সম্ভাব্য শেষ কোপা আমেরিকা টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্ব গোল ছাড়াই শেষ করতে হল এই তারকাকে।