সবার মনে একটাই প্রশ্ন, রিয়ালের ১৫তম নাকি ডর্টমুন্ডের দ্বিতীয় শিরোপা। সেই উত্তর জানতে অবশ্য আরো কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে।
রোববার বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় লন্ডনের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে ডর্টমুন্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে রিয়াল মাদ্রিদ। এবারই প্রথম ফাইনালে মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল।
.png)
লস ব্ল্যাঙ্কোসদের জন্য চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল এখন নিয়মিত ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। টুর্নামেন্টের রেকর্ড চ্যাম্পিয়নরা ২ বছর আগেও শিরোপা জিতেছে।
রিয়ালের জন্য লড়াইটা অন্য পাঁচটা ফাইনালের মতো হলেও ডর্টমুন্ডের কাছে হারানো ঐতিহ্য ফেরানোর লড়াই। দীর্ঘ ২৭ বছর আগে প্রথম এবং শেষবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা জেতা দলটা এবার শিরোপা খরা কাটাতে মুখিয়ে আছে।
শিরোপা মঞ্চে উঠতে বরুশিয়াকে বেশ ভালোভাবে সাহায্য করেছে তাদের ভাগ্য। চলতি আসরে মোট ১২ বার প্রতিপক্ষের শট ফিরেছে তাদের গোলপোস্টে লেগে। ফাইনালে এই ভাগ্যকে পাশে না পেলে বিপদে পড়তে পারে জার্মানরা।
অবশ্য স্বস্তিতে নেই রিয়াল মাদ্রিদও। দুর্দান্ত ছন্দে থাকা আন্দ্রে লুনিনকে ফাইনাল ম্যাচে পাওয়া যাবে না। ফাইনাল ম্যাচেই এ মৌসুমে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগ খেলতে নামবেন থিবো কর্তোয়া।
রিয়ালের চিন্তার কারণ হতে পারে রক্ষণভাগও। ইনজুরি কাটিয়ে ফেরা এডার মিলিতাওয়ের ফিটনেস নিয়ে দুশ্চিন্তা আছে। নাচো-রুদিগারের সেন্টার ব্যাক জুটিকে তাই বাড়তি দায়িত্ব পালন করতে হবে শুরু থেকে।
অপরদিকে, রক্ষণটাই বড় শক্তির জায়গা ডর্টমুন্ডের। অধিনায়ক ম্যাটস হামেলস আছেন দারুণ ছন্দে। ৩৫ পেরোনো এই সেন্টারব্যাক ফর্ম ধরে রাখলে ফাইনালে এগিয়ে থাকবে ডর্টমুন্ড। গোলরক্ষক গ্রেগর কোবেলেও কম যান না। তবে ফাইনালে ভিনিসিউস জুনিয়র- জুড বেলিংহামদের পরীক্ষা সামলাতে হবে তাকে।
রিয়াল শেষ ইউরোপিয়ান কাপের ফাইনাল হারের পেরিয়ে গেছে প্রায় ৪৪ বছর। এরপর টুর্নামেন্টের নাম বদলে গেছে, রিয়ালও হারিয়েছে ভিন্ন ৫ প্রতিপক্ষকে। এবার সে তালিকায় যোগ হতে পারে ষষ্ঠ ক্লাব। ১৪ টা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ট্রফি কেবিনেটে থাকলেও এবারই প্রথম কোনো ম্যাচ না হেরে ফাইনালে উঠেছে দলটি। সুযোগ আছে বার্সেলোনার পর দ্বিতীয় স্প্যানিশ ক্লাব হিসেবে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ারও।