দুই বছরের ব্যবধানে আর্জেন্টিনাকে শিরোপা জিতিয়ে রীতিমতো কিংবদন্তি বনে যান মেনোত্তি। তবে শুধু শিরোপায় নয়, তিনি আর্জেন্টিনা ও বিশ্বকে উপহার দেন আরেক কিংবদন্তি ডিয়েগো আরমান্দো ম্যারাডোনাকে। যিনি ১৯৮৬ বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক ছিলেন। যার পেছনে বড় অবদান ছিলেন মেনোত্তির।
কিংবদন্তি এই কোচ না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। সোমবার এক বিবৃতিতে মেনোত্তির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ)।
.png)
তারা লিখেছে, ‘আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশন অত্যন্ত শোকের সঙ্গে বর্তমান জাতীয় দলের পরিচালক ও আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী কোচ লুইস সিজার মেনোত্তির মৃত্যুর খবর জানাচ্ছে। বিদায় প্রিয় ফ্লাকো!’
কিংবদন্তি কোচের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের অধিনায়ক লিওনেল মেসি তার স্যোশাল হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘আর্জেন্টিনার ফুটবলের অন্যতম গ্রেট আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। তার পরিবার এবং প্রিয়জনদের প্রতি সমবেদনা। শান্তিতে ঘুমান।’
মেনোত্তির মৃত্যুতে শোক বার্তা দিয়েছেন আর্জেন্টিনার তৃতীয় বিশ্বকাপজয়ী কোচ লিওনেল স্কালোনিও। তিনি লিখেছেন, ‘ফুটবলের একজন শিক্ষক আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন। সেই সব স্নেহ সঞ্চারক কথার জন্য ধন্যবাদ, যার মাধ্যমে আপনি আমাদের মনে ছাপ রেখে গেছেন। চিরকাল হৃদয়ে থাকবেন প্রিয়।’