শুক্রবার রাতে অটল বিহারী বাজপেয়ী একানা ক্রিকেটে স্টেডিয়ামে স্বাগতিক লখনৌ সুপার জায়ান্টসের মুখোমুখি হয় দিল্লি। ম্যাচটিতে স্বাগতিকদের ৬ উইকেটে হারিয়েছে পান্টরা। তাদের এই জয়ে অবদান রাখেন তরুণ ক্রিকেটার জ্যাক ফ্রেজার-ম্যাকগুর্ক। এ সময় তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন পান্ট নিজেই।
এদিন প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৬৭ রান সংগ্রহ করে লখনৌ সুপার জায়ান্টস। জবাব ব্যাট করতে নেমে ৪ উইকেট ও ১১ বল হাতে রেখে জয়ের বন্দরে নোঙর করে দিল্লি।
.png)
সফরকারীদের হয়ে শুরুটা ভালোই করেছিলেন পৃথ্বী শ। আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলছিলেন তিনি। তবে উল্টো দিকে থাকা ডেভিড ওয়ার্নার আউট হলেন দুর্ভাগ্যজনকভাবে। যশ ঠাকুরের বল তার প্যাডে লেগে মাটিতে পড়ে স্টাম্প ফেলে দেয়। হতাশ হয়ে তাকিয়ে দেখেন ওয়ার্নার।
তিনে নামা ফ্রেজার দ্বিতীয় বলেই ঠাকুরকে ছক্কা মারেন। পৃথ্বীর সঙ্গে জুটি বেঁধে দ্রুত রান তুলতে থাকেন। ৬৩ রানের মাথায় ফিরে যান পৃথ্বী শ। ২২ বলে ৩২ রান করেন তিনি। দ্বিতীয় উইকেট পড়ার পরে আর রোখা যায়নি দিল্লিকে।
ইনিংসের ১৩তম ওভারে ক্রুণাল পান্ডিয়াকে টানা তিনটি ছয় মারেন ফ্রেজার। সেই ওভার থেকে ২১ রান ওঠে। ক্রুণালের আগের একটি ওভার থেকে ১৫ রান ওঠে।
১৪তম ওভারে অর্ধশতরান পূরণ করেন ফ্রেজার। তার পরের ওভারেই আউট হয়ে যান। নবীন উল হকের বলে আর্শাদ খানের হাতে ক্যাচ দেন।
ভাল খেলছিলেন পান্ট। ১৬তম ওভারে রবি বিষনোইকে এগিয়ে এসে মারতে গিয়ে ফস্কান। স্টাম্প করেন লোকেশ রাহুল। ৪টি চার এবং ২টি ছক্কার সাহায্যে ২৪ বলে ৪১ করেন পান্ট। তবে দিল্লির জয় তাতে আটকায়নি।
এদিন আগে ব্যাট করতে নেমে লখনৌ শুরুটা ভালই করেছিল। পাওয়ার প্লে-তে ঠিক যে ভাবে শুরু করা দরকার, সে ভাবেই খেলছিলেন কুইন্টন ডি’কক। কিন্তু তৃতীয় ওভারেই খলিল আহমেদের বলে এলবিডব্লিউ হন। সেই যে লখনউয়ের উইকেট পড়ল, এর পর একে একে ব্যাটারেরা এলেন এবং গেলেন।
দেবদূত পাড়িক্কল (৩) এই ম্যাচেও ফর্মে ফিরতে পারলেন না। ব্যর্থ মার্কাস স্টোইনিস (৮), নিকোলাস পুরান (০), দিপক হুদা (১০), ক্রুণাল পান্ডিযারাও (৩)। শুক্রবার যে পিচে খেলা হয়েছে সেখানে রান করা মোটেই সহজ ছিল না। লড়াই করেন লোকেশ রাহুল। ৫টি চার এবং ১টি ছয়ের সাহায্যে ২২ বলে ৩৯ করেন।
তবে শেষ দিকে বাদোনি ঝোড়ো ব্যাটিং করবেন কেউ ভাবতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত অর্ধশতরান করে অপরাজিত থাকেন বাদোনি। তার ব্যাটে ভর করেই লড়াকু সংগ্রহ পেয়েছিল স্বাগতিকরা।