বাবরের শূন্যস্থান পূরণ করতেই মূলত আফ্রিদির কাঁধে তুলে দেওয়া হয়েছিল পাকিস্তানের টি-২০ অধিনায়কত্ব। তার নেতৃত্বে পাকিস্তান মাত্র একটি সিরিজ খেলেছিল। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ ছিল নিউজিল্যান্ড। সিরিজটিতে ৪-১ ব্যবধানে হারে পাকিস্তান।
এই এক সিরিজের মধ্য দিয়েই আফ্রিদির অধিনায়কত্বের অধ্যায় শেষ। কেননা পাকিস্তানের সাদা বলের ক্রিকেটকে আবারো নেতৃত্ব দেবেন বাবর আজম। বিশ্বকাপের আগমুহূর্তে পিসিবির এমন কাণ্ডে সাবেক ক্রিকেটার রশিদ লতিফ জানিয়েছেন, ‘শাহিন আফ্রিদির ওপর প্রতিশোধ নিয়েছেন বাবর।’
.png)
আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপ সামনে রেখে বোর্ডের হস্তক্ষেপে পাকিস্তান দলে অবসর থেকে ফিরেছেন মোহাম্মদ আমির ও ইমাদ ওয়াসিম। এই দুই তারকা ফেরার পরই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড প্রাথমিক স্কোয়াড নিয়ে ক্রিকেটারদের ফিটনেসের জন্য সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণে পাঠায়। এরই মাঝে টি-২০ ও ওয়ানডেতে পাকিস্তানের অধিনায়ক হিসেবে বাবর আজমকে ফেরানোর সিদ্ধান্ত নেয় পিসিবি।
বোর্ডের এমন কাণ্ডে পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক রশিদ লতিফ মনে করেন, আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপ পাকিস্তান না জিততে পারলে দলটিতে ভাঙন দেখা দিতে পারে। পাকিস্তান দলের বর্তমান অস্থিরতা দেখে লতিফের নব্বই দশকের কথা মনে পড়ে যায় বলে জানিয়েছেন।
রশিদ পাকিস্তানের অধিনায়কত্বের রদবদলের ব্যাপারে আফগানিস্তান সিরিজের উদাহরণ টেনে বলেন, ‘আফগানিস্তানের কাছে সিরিজ হারের পর শাদাব খান খুব বুদ্ধিমানের মতো কাজ করেছিল। সে বলেছিল বাবর-রিজওয়ান ছাড়া এই দল পূর্ণতা পায় না। এর মানে হচ্ছে আমি (শাদাব) অধিনায়ক নই। বাবরকে যখন অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হলো, একই জিনিস আমি আফ্রিদির কাছ থেকেও আশা করেছিলাম। আফ্রিদি যদি সেদিন একটা অবস্থান নিত, তাহলে এখনকার এই দিন দেখতে হতো না। দুজনের যত বন্ধুত্বই থাকুক না কেন, বাবর কি প্রতিশোধ নিল না?’