পরে অবশ্য ইউরোপে এসেছিলেন ‘গাবিগোল’ নামে পরিচিত বারবোসা। কিন্তু বেশিদিন দেশের বাইরে থাকা হয়নি তার। ইন্টার মিলান ও বেনফিকা ঘুরে আবারো ধারে চলে যান সান্তোসে।
২৭ বছর বয়সী বারবোসা অবশ্য নেইমারের পদাঙ্ক অনুসরণ করতে পারেননি। তবে নেইমারের কাছাকাছি ঠিকই থেকেছেন। সেটি অবশ্য ভিন্নভাবে।
.png)
২০১৩ সালে সান্তোস ছাড়েন নেইমার। একই বছর দলটিতে যোগ দেন বারবোসা। জাতীয় দলেও দুজনে একসঙ্গে খেলেছেন। তবে সতীর্থের চেয়ে নেইমারের আত্মীয়ই বেশি হয়ে উঠেছিলেন তিনি। নেইমারের ছোট বোন রাফেয়ালা সান্তোসের সঙ্গে ২০১৭ সালে সম্পর্কে জড়ান বারবোসা। আর সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান নেইমারের বোন নিজেই। অবশ্য রাফেয়ালা পরে নিজের ক্যারিয়ারের দিকে ফোকাস করায় এই সম্পর্ক স্থায়ী হয়নি। আর সেই থেকে সিঙ্গেল বারবোসা।
গাবিগোলের ক্যারিয়ারটাই এখন হুমকির মুখে। গত সোমবার ডোপিং পরীক্ষার সময় জালিয়াতির চেষ্টায় দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছেন তিনি। এ রায় দিয়েছেন ব্রাজিলের ক্রীড়া আদালত।
সংবাদ এজেন্সি এএফপি জানিয়েছে, রিও ডি জেনিরোর ক্লাব সদর দপ্তরে ডোপিং পরীক্ষার সময় অসহযোগিতার অভিযোগ করা হয়েছে গাবিগোলের বিরুদ্ধে। তবে এ ঘটনা গত বছরের ৮ এপ্রিলের। আর সেটির রায় এখন দিয়েছেন আদালত। তবে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ পাচ্ছেন বারবোসা।
স্থানীয় মিডিয়ার বরাতে এএফপি আরো জানিয়েছে, বারবোসা সময়সূচি মেনে চলতে ব্যর্থ হয়েছেন। ডোপিং অফিসারদের অসম্মান করেছেন এবং তাঁদের নির্দেশ মানতে অস্বীকার করেছেন। তবে এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বারবোসার বক্তব্য, ‘আমি কখনো কোনো পরীক্ষায় বাধা বা প্রতারণা করার চেষ্টা করিনি। আমি আত্মবিশ্বাসী যে, আমি সর্বোচ্চ আদালতে নির্দোষ প্রমাণিত হব।’