বৃহস্পতিবার সকালে তেজগাঁও রেলস্টেশনে মহসিনকে খুঁজে পায় জিআরপি পুলিশ। পরে তাকে রিকশায় করে বাসায় পাঠিয়ে দেন তারা। সকালেই ঠিকঠাক বাসার ঠিকানা অনুযায়ী রিকশাচালক মহসিনকে বাসায় পৌঁছে দিয়েছেন।
এদিন মহসিনের বাসায় ফেরার তথ্য নিশ্চিত করেছেন তার ছোট ভাই কোহিনূর পিন্টু। তিনি জানিয়েছেন, মহসিনের নিখোঁজ হওয়ার পর থানায় জিডিসহ বাসা সংলগ্ন এলাকা সহ আশপাশে পোস্টারিং করা হয় পরিবারের পক্ষ থেকে। সেই সূত্রে হয়তো কেউ মহসিনকে চিনতে পেরেছেন।
.png)
কোহিনূর পিন্টু বলেন, ‘মহসিন কীভাবে তেজগাঁও রেলস্টেশনে গেলো, বোধগম্য হচ্ছে না। ওর পুরো শরীরে ধুলোবালুতে একাকার। ওখানেই মনে হয় পড়ে ছিল। জিআরপি পুলিশ আমাকে ফোন করেছিল। ওরাই রিকশা করে বাসায় পাঠিয়েছে। বাসায় আসার পর ওকে জিজ্ঞেস করেও কোনো সদুত্তর পাইনি। এসে শুধু বলেছে ক্ষুধা পেয়েছে। এখন গোসল করিয়ে খাওয়ানোর পর ওষুধ দিয়ে ঘুম পাড়ানো হয়েছে।’
এমনিতে মানসিকভাবে অসুস্থ জাতীয় দলের সাবেক তারকা গোলকিপার মোহাম্মদ মহসিন। সবসময় মালিবাগের আয়শা কমপ্লেক্সের বাসাতে পরিবারের অন্য সদস্যদের চোখে চোখে থাকতেন। মঙ্গলবার হঠাৎ করেই অন্যদের নজর এড়িয়ে বাসা থেকে বের হয়ে আর ফিরেননি। এরপর থানায় জিডি করে তার পরিবার। অবশেষে বাসায় ফিরেছেন সাবেক এ গোলরক্ষক।