ওয়াকার দম্পতি নিজেদের চতুর্থ সন্তানের আগমনের দিনক্ষণ গুনছেন। এর মাঝে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সানকে নিজেই বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের কথা জানিয়েছেন ওয়াকার। টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব লওরেন গুডম্যানের সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের কথা স্বীকার করে স্ত্রী ও পরিবারের বাকি সদস্যদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি।
স্ত্রীকে ফাঁকি দিয়ে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়ানোর সিদ্ধান্তকে নির্বোধ পছন্দ এবং অবিবেচক সিদ্ধান্ত বলে আখ্যা দিয়েছেন ম্যানচেস্টার সিটির এই তারকা। ৩৩ বছর বয়সী ওয়াকার সংবাদমাধ্যমটিকে বলেন, আমি যা করেছি তা বীভৎস এবং আমি এর পূর্ণ দায়ভার নিচ্ছি।
.png)
এরপর তিনি বলেন, আমি নির্বোধের মতো পছন্দ করেছি এবং একটি অবিবেচনাপ্রসূত সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি আর ভাবতেই পারছি না অ্যানি (ওয়াকারের স্ত্রী) কোন অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। আমি তাকে জিজ্ঞেস করার চেষ্টা করেছি কিন্তু সে আঘাত পেয়েছে এবং বিধ্বস্ত।
দোষ স্বীকারের পর ওয়াকার তার পরিবারের গোপনীয়তা রক্ষার জন্য সকলের কাছে আবেদন জানান। তিনি বলেন, আমার কর্মকাণ্ড অনেক মানুষের হৃদয়ে বেদনার জন্ম দিয়েছে। আমি দুঃখিত কারণ পরিবারের কাছে এটা গ্রহণযোগ্য নয়।
স্ত্রী কিলনারের সঙ্গে কৈশোরেই পরিচয় হয় ওয়াকারের এবং দুজনের সংসারে তিনটি সন্তান রয়েছে। ওয়াকারের স্ত্রী ফের সন্তানসম্ভবা এবং তাদের চতুর্থ সন্তানের আগমনের অপেক্ষা করছে। এমন সময়ে স্ত্রীর পাশে না থাকায় অনুশোচনায় ভুগছেন ওয়াকার।
সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, গুডম্যানের সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে স্ত্রী অ্যানির অগোচরেই দুটি সন্তানের পিতা হয়েছেন ওয়াকার। তিনি বলেন, যখন আমাকে তার সবচেয়ে বেশি দরকার, আমি সেখানে ছিলাম না। কিন্তু জেনে রেখো, তুমি যে কষ্টটা পেয়েছো, একই কষ্ট নিয়ে আমাকেও বেঁচে থাকতে হবে।
নিজের ব্যক্তিগত জীবনের এই কেলেঙ্কারি গণমাধ্যমের আলোচনা থেকে গোপন রাখতে ম্যানচেস্টার সিটি ছাড়ার কথা ভেবেছিলেন বলেও জানিয়েছেন ওয়াকার। তিনি বলেন, আমি কি ম্যানসিটি ছাড়তে চাই? না, আমি তা পারি না। কিন্তু ইংল্যান্ড ও গণমাধ্যম থেকে পালিয়ে বাঁচতে বায়ার্ন আমার পছন্দের তালিকায় ছিল।