এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত চট্টগ্রামের সংগ্রহ ১৩ ওভারে এক উইকেটে ১০৫ রান।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৩৭ রান সংগ্রহ করে সিলেট। এতে চট্টগ্রামের সামনে লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে ১৩৮ রান।
.png)
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভালো শুরু পায় চট্টগ্রাম। দলটির হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন তানজিদ হাসান তামিম ও আভিস্কা ফার্নান্দো। ইনিংসের শুরু থেকে দেখেশুনে খেলতে থাকেন এ দুই ব্যাটার।
ম্যাচের চতুর্থ ওভারের প্রথম বলে ফার্নান্দোর উইকেট শিকার করেন তানজিম হাসান সাকিব। সাজঘরে ফেরার আগে ১৭ করেন।
পরে ক্রিজে আসেন টম ব্রুস। তাকে সঙ্গে নিয়ে দলীয় ইনিংস এগিয়ে নিচ্ছেন তামিম। এখন পর্যন্ত এ জুটির ব্যাট থেকে এসেছে ৮৩ রান।
তামিম ৪৫ ও ৪০ রানে ব্যাটিং করছেন ব্রুস।
এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন মাশরাফী। দলটির হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন মোহাম্মদ মিথুন ও নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে ভালো শুরুর আগেই এ জুটিতে আঘাত হানেন বিলাল খান।
ম্যাচের দ্বিতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলে মিথুনকে (১) বোল্ড এবং ওভারের শেষ বলে শান্তকে (৫) লেগ বিফরের ফাঁদে ফেলেন বিলাল।
শুরুতেই দুই উইকেট হারিয়ে স্নায়ুচাপে পড়ে দলটি। তবে জাকির হোসেন ও হ্যারি টেক্টর জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় মাশরাফীর দল। নিহাদের ঘূর্ণিতে উড়তে থাকা জাকিরের (৩১) বিদায়ে ভেঙে যায় তাদের ৫৭ রানের জুটি।
এরপর রায়ান বার্লের সঙ্গে জুটি গড়েন টেক্টর। তাদের দুজনের ব্যাট থেকে আসে ৫২ রান। ফিফটির পথে থাকা টেক্টরকে থামিয়ে এ জুটি ভাঙেন সেই বিলালই। আউট হওয়ার আগে ৪৫ করেন এ আইরিশ ব্যাটার।
অন্যপ্রান্তে ব্যাট হাতে চট্টগ্রাম বোলারদের বিপক্ষে লড়াই করতে থাকেন রায়ান। শেষ পর্যন্ত ২৯ বলে ৩৪ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। তাকে সঙ্গ দেওয়া আরিফুল হক করেন ১২ বলে ১৭। তিনিও অপরাজিত ছিলেন। এতে সিলেটের ইনিংস থামে ১৩৭ রানে।
চট্টগ্রামের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট শিকার করেন বিলাল খান।