এফবিটি, লোটো কিছুদিন বাংলাদেশ দলের কিট স্পন্সর হিসেবে ছিল। এছাড়া নোকিয়া, সিটিসেল, গ্রামীণফোনের পর সবশেষ টিভিএসের লোগো জায়গা করে নিয়েছিল বাংলাদেশের জার্সিতে। তবে ২০২১ সাল থেকে বাংলাদেশ দলের স্পন্সর নেই।
পারফরম্যান্সে জামাল-মোরসালিনরা মন জয় করে চলেছেন দর্শকদের। বাংলাদেশের ফুটবল দেশের মানুষের মধ্যে আগ্রহ বাড়িয়ে চলেছে। ২০২৩ সালের একেকটি ম্যাচ, দেশের ফুটবলে সুদিন ফেরানোর বার্তা। একাধিক প্রতিষ্ঠান এরই মধ্যে আগ্রহ দেখিয়েছে। মার্চে ফিলিস্তিনের বিপক্ষে হোম ম্যাচের আগেই হতে পারে চুক্তি।
.png)
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ক্রীড়া সামগ্রী প্রতিষ্ঠান জার্সিবার্ড নামের একটি ফেসবুক পেইজ থেকে দাবি করা হয়েছে, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সঙ্গে চুক্তির অনেকটাই চূড়ান্ত।
দুই প্রতিষ্ঠানের লোগো ব্যবহার করে ছবি এবং ভিডিওর মাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, শিগগিরিই আসবে সুখবর। তবে ফুটবল ফেডারেশন এ বিষয়ে কিছুই জানে না। বাফুফের দাবি, তাদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকতাই শুরু হয়নি।