গত বছরের ফাইনালে স্টিফানোস সিতসিপাসকে হারিয়ে রেকর্ড ১০ম বারের মত মেলবোর্ন পার্কে শিরোপা জিতেছিলেন জকোভিচ। একইসঙ্গে ২০২৩ সালে ফ্রেঞ্চ ওপেন ও ইউএস ওপেনের শিরোপা জয় করার মধ্য দিয়ে দারুণ একটি বছর কাটিয়েছেন তিনি।
তবে উত্তেজনায় পূর্ণ উইম্বলডনের ফাইনালে আলকারাজের সঙ্গে আর পেরে উঠেননি ৩৬ বছর বয়সী জকোভিচ। ২০ বছর বয়সী আলকারাজ গত বছর হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে খেলতে পারেননি।
.png)
এবার দুটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম ও র্যাঙ্কিংয়ের দুই নম্বর স্থান নিয়ে মেলবোর্নের কোর্টে নামতে যাচ্ছেন আলকারাজ। টেনিস বিশ্বের অন্যতম প্রতিভাবান তরুণ হিসেবে এরই মধ্যে বেশ সমাদৃত হয়েছেন তিনি।
জকোভিচের দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বী রাফায়েল নাদাল পায়ের পেশীর ইনজুরির কারনে রোববার অস্ট্রেলিয়ান ওপেন থেকে নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। বছরের প্রথম এই গ্র্যান্ড স্ল্যামকে সামনে রেখে নাদালের স্বদেশী আলকারাজ প্রস্তুতিমূলক টুর্নামেন্টে অংশ নেননি।
২০১৮ সালের পর থেকে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে কোন ম্যাচে হারেননি জকোভিচ। মেলবোর্ন পার্কে সেমিফাইনাল ও ফাইনালে তার রেকর্ড ২০-০। জকোভিচ বলেছেন, ‘যখন আমি ফিট থাকি, পারফরমেন্সের সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকি তখন আমি যেকোনো টুর্নামেন্টে জিততে পারি।
ঐ সময় আমার মধ্যে কোন ধরনের ভীতি কাজ করে না। আমি আরো বেশি রেকর্ড ভাঙ্গতে চাই, টেনিসে আরো বেশি করে ইতিহাস গড়তে চাই। এটা এখন আর গোপন কোন বিষয় নয়।’