জাতীয় দলের পাশাপাশি ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক বিভিন্ন টুর্নামেন্টে খেলাই নাভিনের লক্ষ্য। সে অনুযায়ী সংযুক্ত আরব আমিরাতের লিগ আইএল টি-২০তে নাম লেখান তিনি। কিন্তু টুর্নামেন্টটির নিয়মবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের অভিযোগে নাভিনকে ২০ মাসের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
ক্রিকেটের জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ইএসপিএন ক্রিকইনফো জানিয়েছে, আইএল টি-২০ টুর্নামেন্টের ফ্র্যাঞ্চাইজি শারজাহ ওয়ারিয়র্সের হয়ে এবারও নাভিনের খেলার কথা ছিল। তাদের রিটেনশন লিস্টেও ছিল এই পেসারের নাম।
.png)
তবে তাদের সঙ্গে চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে অস্বীকার করায় নাভিনকে এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। ফলে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে শুরু হতে যাওয়া টুর্নামেন্টটির দ্বিতীয় আসরে খেলতে পারবেন না তিনি।
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) লখনৌ সুপার জায়ান্টসের হয়ে খেলেন নাভিন। দক্ষিণ আফ্রিকার টি-২০ টুর্নামেন্টে একই ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকের দল ডারবান সুপার জায়ান্টসের হয়ে খেলতে ইতোমধ্যে তিনি স্বাক্ষরও করে ফেলেছেন। যা শারজাহ ওয়ারিয়র্সের সঙ্গে চুক্তি ভঙ্গের শামিল।
তবে আরব আমিরাতের এই টুর্নামেন্টটিতে খেলতে না পারলেও অন্য কোনো টি-২০ লিগের দুয়ার বন্ধ হয়নি নাভিনের জন্য। আইএল টি-২০ কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই বছর শারজাহ নাভিনের কাছে একই শর্ত ও পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে রিটেনশন লিস্ট পাঠিয়েছিল।
পরে কাঙ্ক্ষিত সাড়া না পেয়ে দলটি আইএল কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি সমাধানের আহবান জানায়। এরপর লিগটির প্রধান নির্বাহি ডেভিড হোয়াইটকে প্রধান করে গঠন করা হয় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি।
ওই কমিটিতে ছিলেন সিকিউরিটি এবং দুর্নীতি দমন প্রধান কর্নেল আজম ও আরব আমিরাত ক্রিকেট বোর্ডের সদস্য জায়েদ আব্বাস। তারা নাভিনের বিরুদ্ধে ওই অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে।