বাংলাদেশের ফুটবলের সঙ্গে জর্জ দায়িত্ব সম্পর্কটা বেশ নিবিড়। ২০০৩ সালে তার অধীনেই এসেছে সাফ ফুটবলের একমাত্র শিরোপা। এরপর ওই বছরই মুক্তিযোদ্ধার দায়িত্ব নিয়ে ক্লাবটিকে ফেডারেশন কাপ জেতান এই কোচ। পরবর্তীতে ২০০৯-১০ সালে ছিলেন পাকিস্তানের কোচও। তবে ভুলে যাননি বাংলাদেশকে।
২০১৪ সালে ফের কোটান ঢাকায় আসেন আবহানীর কোচ হয়ে। সেবার কিছুদিন থেকেই ঢাকা ছাড়লেও পরে সঙ্গে স্ত্রীকে নিয়ে ফের ঢাকায় আসেন তিনি। দায়িত্ব পালন করেন ২০১৬ সাল পর্যন্ত
.png)
নানা সময় জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রতি তার গভীর অনুরাগের কথা। সেই তিনি আর কখনোই পা রাখবেন না বাংলাদেশে। আকর্ষণীয় সব চুক্তি নিয়ে শত ডাকলেও আর পাওয়া যাবে না তাকে। ঈশ্বরের বেধে দেওয়া সময় শেষ হয়েছে তার। কোটান আজ চলে গেছেন পৃথিবীর সব মায়া কাটিয়ে। ৭৬ বছর বয়সী মৃত্যু হয় এই তার।