ঢাকা,  বুধবার   ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ খেলা ]

এই প্রথম বিশ্বকাপে নেই কোনো ‘বাংলার খান’

ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৪:০২, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩
এই প্রথম বিশ্বকাপে নেই কোনো ‘বাংলার খান’
ছবি- ডেইলি বাংলাদেশ

১৯৯৯, বাংলাদেশের প্রথম বিশ্বকাপ। জাতীয় দলে নিয়মিত খেলার সুবাদে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতায় নাম উঠে আকরাম খানের। সেবার দুই একটা ঝলক দেখিয়ে নিভে যাওয়া আকরামকে পরের আসরে বিবেচনায় রাখেনি তখনকার নির্বাচকরা। কিন্তু কপালগুনে ঠিকই ২০০৩ বিশ্বকাপে ডাক পেয়ে যান। যদিও দুই ম্যাচের বেশি খেলার সুযোগ হয়নি। 

জাতীয় দলের জার্সিতে আকরাম অধ্যায়ের সমাপ্তি হতেই তার ভাতিজা তামিম ইকবাল অধ্যায়ের সূচনা। তার আগে আরেক ভাতিজা নাফিস ইকবাল বাইশ গজে পা রাখলেও বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারেননি। ভাই আর চাচার অপূর্ণতা ঘুচিয়ে দেওয়ার দায়িত্বটা নিজের কাঁধে তুলে নেন তামিমই।

আকরাম খান। ছবি- সংগৃহীত২০০৭ থেকে ২০১৯ টানা চার বিশ্বকাপে বাংলাদেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন তামিম ইকবাল খান। সেই হিসেবে বাংলাদেশের বিশ্বকাপে অংশ নেয়ার সঙ্গে খান পরিবারের একটা দারুণ সেতুবন্ধন তৈরি হয়। এবারই প্রথম সেই বন্ধনের বিচ্ছেদ হলো। হয়তো তামিম না থাকলেও তার ভাই নাফিস ইকবাল অন্য কোটায় খানদের আসনটা অলংকৃত করতে পারতেন। 

Advertisement

শেষ পর্যন্ত সেটিও সম্ভব হলো না। নাফিসকেও ছাড়তে হলো ম্যানেজারের পদ। সবমিলিয়ে এই প্রথম বিশ্বকাপে দেখা যাবে কোনো ‘বাংলার খান’!

নাফীস ইকবাল খান। ছবি- সংগৃহীতআসলে দেশের ক্রিকেটে খান পরিবারের প্রভাব অনেক আগে থেকেই। শুরুর দিকে আকরাম খান, এরপর নাফিস ইকবাল খান। সবশেষ তামিম ইকবাল খান। তিন খানের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সময় ছিল তামিমের শাসন। 

১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন আকরাম খান। পরের বিশ্বকাপ অর্থাৎ ২০০৩ সালে এই ব্যাটার শুরুতে বিবেচনায় না থাকলেও পরে মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার চোটের কারণে সুযোগ পেয়ে যান। এরপর তো বাংলার ক্রিকেটে ধুমকেতুর মতো আগমন ঘটে তামিমের।

ইনজুরি সমস্যায় ২০২৩ বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছেন তামিম ইকবাল খান। ছবি- সংগৃহীত২০০৭ আসরে ভারতের বিপক্ষে হাফসেঞ্চুরি দিয়ে নিজের বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারের সূচনা করেছিলেন তামিম। পরবর্তীতে ২০১১ সালে ঘরের মাঠে ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় টুর্নামেন্টেও ছিল এই নামটা। আগের দুই আসরে সেভাবে আলো ছড়াতে না পারলেও ২০১৫ এবং ২০১৯ বিশ্বকাপে তামিম ইকবাল বাংলাদেশ দলের অটো চয়েস হয়ে যান। তার হতাশাজনক পারফরম্যান্সে দর্শকদের মনঃক্ষুণ্ন হয়। তবুও তাকে নিয়ে অনেকে নতুন স্বপ্ন বুনেছিলেন। তিনিও খুব করে চেয়েছিলেন ভারত বিশ্বকাপ দিয়ে ক্যারিয়ারের ইতি টানতে। কিন্তু চোট আর ফিটনেস সমস্যার কঠিন সাগরে পড়ে আর তীরের দেখা পাননি খান পরিবারের সবশেষ এ নবাব!

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআইএ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!