সোমবার রাতে ঘরের মাঠ এস্তাদিও আলগার্ভ স্টেডিয়ামে লুক্সেমবার্গের মুখোমুখি হবে স্বাগতিক পতুর্গাল। যেখানে প্রতিপক্ষের জালে গোল উৎসবে মাতেন পর্তুগালের ফুটবলাররা।
লুক্সেমবার্গের জালে গঞ্জালো রামোস ও দিয়েগো জোতারা একে একে বল জড়িয়েছেন ৯ বার। ম্যাচে রামোস, জোতা ও ইনাসিও করেছেন ২টি করে গোল। আর রিকার্ডো, ব্রুনো ফার্নান্দেজ ও জোয়াও ফেলিক্স করেছেন ১টি করে গোল। এদিন অবশ্য অ্যাসিস্টের হ্যাটট্রিক করেছেন ফার্নান্দেজ।
.png)
রোনালদোর বিপক্ষে বারবার নাস্তানাবুদ হওয়া লুক্সেমবার্গ হয়তো এদিন একটু স্বস্তি নিয়েই নেমেছিল। কেননা দলটির বিপক্ষে ১১ ম্যাচে ১১ গোল করেন রোনালদোর। দুই দলের সবশেষ দেখাতেও জোড়া গোল করেছিলেন সিআর সেভেন। কিন্তু কে জানতো, রোনালদোবিহীন পর্তুগাল এতটা ধারালো হবে।
এদিন লুক্সেমবার্গের জাল খুঁজে পেতে গঞ্জালো ইনাসিওর সময় লাগে ১২ মিনিট। এর মিনিট পাঁচেক পরেই নিখুঁত ফিনিশিংয়ে পর্তুগালের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন গঞ্জালো রামোস।
ম্যাচের ৩৩তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় ও দলের তৃতীয় গোলটি করেন রোনালদোর জায়গা নেয়া রামোস। রাফায়েল লিয়াওয়ের অ্যাসিস্টে করা এই গোলও হয়েছে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে। বিরতির আগমুহূর্তে যোগ করা সময়ে করা গোলটি ছিল প্রথম গোলের পুনরাবৃত্তি। ফার্নান্দেজের ক্রসে দুর্দান্ত হেডে প্রতিপক্ষের জাল খুঁজে নেন ইনাসিও। এতে ৪-০ ব্যবধানে বিরতিতে যায় পর্তুগাল।
বিরতির থেকে ফিরে আবারো আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে পর্তুগাল। ম্যাচের ৫৭তম লুক্সেমবার্গের জালে বল জড়ান দিয়েগো জোতা। এর ১০ মিনিট পেরোতেই লক্ষ্যভেদ করেন রিকার্ডো হোর্তা। জোতার পাস থেকে ওয়ান টাচ ফিনিশিংয়ে ব্যবধান ৬-০ করেন ক্লাব ব্রুগা তারকা।
এরপর ম্যাচের ৭৭তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের সপ্তম গোলটি করেন জোতা। এরপর স্কোরশিটে নাম লেখান ৩ অ্যাসিস্ট করা ফার্নান্দেজও। সেটি ছিল পর্তুগালের ৮ম গোল। এটুকুতেও যেন তুষ্ট হতে পারেনি পর্তুগিজরা।
ম্যাচে ৮৮তম মিনিটে চোখধাঁধানো এক গোলে লুক্সেমবার্গের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন ফেলিক্স। এতে ৯-০ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে রোনালদোহীন পর্তুগাল।
এমন দুর্দান্ত জয়ে ২০২৪ ইউরো বাছাইপর্বে অপরাজিতই থাকলো পতুর্গাল। এখন পর্যন্ত ৬ ম্যাচ খেলেছে পর্তুগাল। যার সবকটি ম্যাচেই জয় পেয়েছে রবার্তো মার্টিনেজের শিষ্যরা। ফলে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে রয়েছে পর্তুগিজরা।