জানা গেছে, প্রথা মেনে একসঙ্গে মদ্যপান করতে অস্ট্রেলিয়া দল ইংল্যান্ডের ক্রিকেটারদের জন্য অপেক্ষা করছিল। স্টোকসদের ডাকতেও গিয়েছিলেন স্টিভ স্মিথ। কিন্তু তারা আসেননি। পরে টুইট করে ইংল্যান্ডের না যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেন স্টোকস।
ওভালে উপস্থিত এক সাংবাদিক জানিয়েছেন, ইংল্যান্ড দল সিরিজ শেষে ড্রিঙ্কস পার্টিতে যায়নি। অস্ট্রেলিয়া দল অনেকক্ষণ ধরে তাদের জন্য অপেক্ষা করেছিল। স্মিথ বেশ কয়েকবার ইংরেজদের সাজঘরে গিয়ে তাদের ডেকেও এসেছে। কিন্তু ইংল্যান্ড দল দরজা বন্ধ করে রেখেছিল।
.png)
মঙ্গলবার স্টোকস ওই ঘটনার ব্যাখ্যা দেন। তিনি টুইটারে লেখেন, আমাদের দলের দু’জনের শেষ ম্যাচ ছিল। তাই সাজঘরে আমাদের নিজেদের বেশ কিছু অনুষ্ঠান ছিল। সেগুলো মিটিয়ে ড্রেসিংরুম থেকে বের হতে বেশ কিছুটা সময় লেগেছে। তাই আমরা ঠিক করেছিলাম নাইট ক্লাবে অস্ট্রেলিয়া দলের সঙ্গে দেখা করব।
একটি অংশ আবার এর জন্য অস্ট্রেলিয়াকে দায়ী করছে। তাদের বক্তব্য, ইংল্যান্ডের দুই ক্রিকেটার অবসর নেয়ার কারণে সাজঘর থেকে তাদের বেরোতে খানিকটা সময় লেগেছে। অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটারদের সঙ্গে ড্রিঙ্কসে যাওয়ার জন্য মুখিয়ে ছিলেন ইংরেজ ক্রিকেটারেরা। কিন্তু স্মিথরাই বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে চাননি।
গোটা সিরিজ জুড়েই ইংল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটারদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের লড়াই চলে। কখনো লর্ডসের লং রুমে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটারদের সঙ্গে বাগ্যুদ্ধ চলে ইংরেজ সমর্থকদের, যা প্রায় হাতাহাতির পর্যায় পৌঁছে যায়। কখনো জনি বেয়ারস্টো ক্রিজ ছেড়ে আগে বেরিয়ে আসায় তাকে আউট করা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। সিরিজ শেষেও সেই লড়াই থামল না।