অবশ্য বিশ্বকাপ মিশন শেষেই সৌদি আরবের দায়িত্ব ছাড়েন রেনার্ড। এরপর পূর্ণ মেয়াদে ফ্রান্স নারী দলের দায়িত্ব নেন তিনি। বর্তমানে তার অধীনেই বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছেন এমবাপ্পের দেশের মেয়েরা।
চলতি নারী বিশ্বকাপেও দারুণ এক জয় পেয়েছে রেনার্ডের শিষ্যরা। আর তাতেই এই কোচের নাম উঠলো রেকর্ডের পাতায়। প্রথম কোচ হিসেবে পুরুষ এবং নারী ফুটবল বিশ্বকাপে জয় পাওয়া কোচ হলেন হার্ভি রেনার্ড।
.png)
গতবছর কাতারে অনুষ্ঠিত পুরুষদের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল রেনারের সৌদি আরব। আটমাসের মাথায় ফ্রান্সের নারীদল নিয়ে আরেক বিশ্বকাপে জয়ের স্বাদ পেলেন ৫৪ বছর বয়েসী এই কোচ। এবার ব্রাজিলের মেয়েদের তার দল হারিয়েছে ২-১ গোলে।
রেনার্ডের আগে পুরুষ এবং নারীদের দুই দলকেই বিশ্বকাপে কোচিং করানোর অভিজ্ঞতা আছে শুধু জন হার্ডম্যানের। ২০০৭ ও ২০১১ নারী বিশ্বকাপে হার্ডম্যানের অধীনে খেলেছে নিউজিল্যান্ড। ২০১৫ নারী বিশ্বকাপে ছিলেন কানাডার ডাগআউটে।
আর গত বছর কাতারে তারই অধীনে বিশ্বকাপ খেলেছে কানাডা পুরুষ ফুটবল দল। তবে সব দলের হয়ে জয় পাননি হার্ডম্যান। কানাডার মেয়েদের কোয়ার্টার ফাইনালে নিয়ে গেলে নিউজিল্যান্ডের মেয়ে ও কানাডার ছেলেদের বিশ্বকাপে ম্যাচ জেতানো হয়নি তার।
হার্ডম্যান যা পারেননি তাই করে দেখালেন হার্ভে রেনার্ড। কোচিং জগতে অবশ্য আগে থেকেই বেশ সুনাম আছে এই ফ্রেঞ্চম্যানের।
২০১২ সালে ‘আন্ডারডগ’ জাম্বিয়াকে জিতিয়েছেন আফ্রিকা কাপ অব নেশন্স। ফাইনালে দিদিয়ের দ্রগবার আইভরি কোস্টকে হারিয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে তার দল। ২০১৫ সালে সেই আইভরি কোস্টকেই এনে দিয়েছেন শিরোপা। প্রথম কোচ হিসেবে দুটি ভিন্ন দলকে আফ্রিকা মহাদেশের সেরা বানিয়েছেন তিনি।
এরপর ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপে মরক্কোকে মূলপর্বে নিয়ে যান রেনার্ড। পরের বছর হন সৌদি আরবের কোচ। দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি জয় পাওয়া কোচের নামটাও রেনার্ডই।