বয়সকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে ইতিহাসের পথ ধরে তার সেই ছুটে চলছেন তিনি। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বয়সী এই পেশাদার ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদ আরও বাড়িয়েছে তার ক্লাব।
‘কিং কাজু’ নামে পরিচিত এই স্ট্রাইকার গত জানুয়ারি থেকে ধারে খেলছেন ওলিভেইরেন্সে। পর্তুগালের দ্বিতীয় বিভাগের দলটি মঙ্গলবার টু্ইটারে জানায় ৫৬ বছর বয়সী তারকার সঙ্গে চুক্তি বাড়ানোর খবর। তবে নতুন চুক্তির মেয়াদ সুনির্দিষ্ট করে জানানো হয়নি।
.png)
মিউরার পেশাদার ক্যারিয়ারের বয়স ৩৭ বছর। সেই ১৯৮৬ সালে ব্রাজিলের সান্তোসে তার ক্যারিয়ারের পথচলা শুরু। ব্রাজিলেই পরে খেলেছেন পালমেইরাস, করিচিবাতে। সান্তোসেও ছিলেন আরেক দফায়। ইউরোপে খেলেছেন ইতালিয়ান ক্লাব জেনোয়া ও ক্রোয়েশিয়ায় ক্লাব দিনামো জাগরেবে। জাপানের বিভিন্ন ক্লাবে তো খেলেছেনই।
জাপানের সর্বকালের সেরা ফুটবলারদের একজন মনে করা হয় মিউরাকে। জাতীয় দলের হয়ে ১৯৯০ থেকে ২০০০ পর্যন্ত ক্যারিয়ারে ৯০টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। গোল করেছেন ৫৫টি।বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে তার অভিষেক হয়েছিল ১৯৯০ এশিয়ান গেমসে। ১৯৯৮ সালে জাপানের প্রথম বিশ্বকাপ খেলায় তার ছিল বড় অবদান। বাছাইয়ে তিনি গোল করেছিলেন ১৪টি। তবে বিশ্বকাপ দল থেকে বিতর্কিতভাবে তাকে বাদ দেওয়া হয়।