বিশ্ব ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের আসনে বসার তিন মাস পর ঘরের মাঠে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছে আর্জেন্টিনা। সেখানে পানামা ও কুরাকাওয়ের বিপক্ষে রীতিমতো হেসে খেলে জয় তুলে নিয়েছেন মেসি-ডি মারিয়ারা।
এবার ফিফা উইন্ডোর শিডিউল অনুযায়ী, অস্ট্রেলিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলতে এশিয়া সফরে বেরিয়েছে আর্জেন্টিনা। তারই ধারবাহিকতায় আজ (১৫ জুন) অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হয়েছে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
.png)
তবে প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া হলেও প্রীতি ম্যাচটি গড়িয়েছে চীনের মাটিতে। আয়োজক দেশ হিসেবে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন মেসিদের জন্য বিশেষ সম্মাননা স্মারকও প্রস্তুত রেখেছে চীনের ফুটবল ফেডারেশন।
এদিন বিশ্বকাপজয়ী দলের হাতে সুদৃশ্য স্মারক তুলে দিবে প্রীতি ম্যাচের আয়োজক চীন। এ স্মারকে ডিয়েগো ম্যারাডোনা ও লিওনেল মেসি থাকছেন। এমনকি আকাশি-নীল জার্সিধারীদের প্রতিপক্ষ অজিদের হাতেও এ স্মারক তুলে দেওয়া হবে।
সেই স্মারকের ছবি প্রকাশ করেছে আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস। লে আলবিসেলেস্তেদের দুই মহাতারকা ম্যারাডোনা ও মেসিকে রেখেই এ স্মারক তৈরি হয়েছে। এই দুই মহাতারকার হাতেই থাকছে বিশ্বকাপের ট্রফি। দুজনেই উঁচিয়ে ধরেছেন বিশ্বকাপের এই ট্রফি।
এদিকে আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যমটি এই স্মারকের খুঁতও খুঁজে বের করেছে। সংবাদমাধ্যমটি প্রশ্ন তুলেছে— মেসির একটা হাতে পাঁচ আঙুলের জায়গায় কেন চারটা! তবে এই স্মারকে আকাশি-নীল শিবিরের প্রথম বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক দানিয়েল প্যাসারেলাকে রাখেনি আয়োজকরা। তাকে রাখলেই পরিপূর্ণতা পেত স্মারকটি।
অবশ্য চীনের সম্মননা স্মারকের ছবিটি প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। যা নিয়ে আলবিসেলেস্তে সমর্থকেরা নেতিবাচক মন্তব্য শুরু করে দিয়েছেন। তবে ঠিক কি কারণে মেসির বাঁহাতের একটি আঙুল কম দেওয়া হয়েছে তা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করেনি চীন।
এর আগে ২০০৮ সালে বেইজিং অলিম্পিকে লিওনেল মেসির অনবদ্য পারফরম্যান্সেই ফুটবলে স্বর্ণপদক জিতেছিল আর্জেন্টিনা। এ কারণে বলাই যায়, চীনের রাজধানী মেসির জন্য যথেষ্ট পয়া।
এবারের আর্জেন্টাইন দলে আছেন বেইজিং অলিম্পিকে মেসির আরেক সতীর্থ অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া। আর বিশ্বকাপজয়ী দল সেখানে পৌঁছানোর পর থেকেই উন্মাদনায় ভাসছেন ফুটবলপ্রেমীরা।