এ ম্যাচে শুরু একাদশে ছিলেন না দলের প্রাণভোমরা রবসন রোবিনহো। বিশ্রাম দেওয়া হয় এই ব্রাজিলিয়ানকে। খেলার শুরু ১৫ মিনিটে একাধিক সুযোগ তৈরি করে বসুন্ধরা কিংস, কিন্তু ফিনিশিং ব্যর্থতায় গোল পাওয়া হয়নি চ্যাম্পিয়নদের। ৩১ মিনিটে অল্পের জন্য রক্ষা পায় মুক্তিযোদ্ধা। মিগেলের ফ্রিকিক দুরের পোস্টে কেউ পা ছোঁয়াতে পারেনি।
খেলার ৪২ মিনিটে কিংসকে এগিয়ে দেন মিগুয়েল (১-০)। বিশ্বনাথ ঘোষের কাটব্যাক মুক্তিযোদ্ধার কোনো ডিফেন্ডার ক্লিয়ার করতে না পারায় ফাঁকায় থাকা মিগেলের পায়ে চলে যায় বল, দেখে শুনে লক্ষ্যভেদ করেন ব্রাজিলিয়ান এই মিডফিল্ডার।
.png)
বিরতির পর মুক্তিযোদ্ধার জালে আরো তিন গোল দেয় কিংস। খেলার ৫৩ মিনিটে ও ৭৬ মিনিটে জোড়া গোল করেন দরিয়েলতন। তাতে কিংসের স্কোরলাইন হয় (৩-০)। খেলার ৮০ মিনিটে মুক্তিযোদ্ধার জালে শেষ পেরেক ঠুকে দেন মিগুয়েল (৪-০)। দারুণ দক্ষতা দেখিয়েছেন এই মিডফিল্ডার। মধ্য মাঠ থেকে বল নিয়ে বক্সের খানিক সামনে থেকে বাম পায়ের নিচু শটে লক্ষ্যভেদ করেন তিনি। বাকি সময়ে গোল না হওয়ায় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে কিংস।
দারুণ এই জয়ে ১৪ ম্যাচে ৪০ পয়েন্ট নিয়ে টানা চতুর্থ লিগ শিরোপা জেতার পথে আরো এগিয়ে গেল কিংস। দ্বিতীয় স্থানে থাকা আবাহনীর চেয়ে কিংস এগিয়ে দশ পয়েন্টে। ১৪ পয়েন্ট নিয়ে অষ্টম স্থানে মুক্তিযোদ্ধা।