অবশ্য আইপিএলে হ্যাজেলউডের অংশগ্রহম মোটেও পছন্দ হয়নি অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্কের। আগামী জুনে দ্বিতীয় বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল ও অ্যাশেজ সিরিজ রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ টেস্ট ম্যাচগুলোর আগে হ্যাজেলউডের বিশ্রাম নেয়া উচিত ছিলো বলে মনে করেন ক্লার্ক।
গত জানুয়ারিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিডনি টেস্টে বাঁ-পায়ে চোট পান হ্যাজেলউড। এজন্য ভারত সফরে চার ম্যাচের টেস্ট সিরিজে খেলতে পারেননি তিনি।
.png)
ইনজুরি থেকে পুরোপুরি সুস্থ না হয়ে ওঠায় আইপিএলের শুরু থেকে খেলতে পারেননি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর হ্যাজেলউড। অবশেষে দলের নবম ম্যাচে একাদশে সুযোগ পান তিনি। লখনৌ সুপার জায়ান্টসের বিপক্ষে বল হাতে ৩ ওভারে ১৫ রানে ২ উইকেট নেন এ পেসার।
এদিকে ফক্স স্পোটর্সকে ক্লার্ক বলেন, ‘আমি বুঝতে পারছি না, কেন আইপিএলে খেলতে নামলো হ্যাজেলউড। আমি জানি না কেন অস্ট্রেলিয়ায় থেকে টেস্ট ক্রিকেটের জন্য প্রস্তুতির কথা ভাবলো না সে।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমি সত্যিই বুঝতে পারছি না, এই মুহূর্তে তিন-চার ওভার বল করাটা অ্যাশেজের সেরা প্রস্তুতি হতে পারে কিনা। বিশেষ করে যে ধরণের চোট থেকে সদ্য সেরে উঠেছে এবং দীর্ঘ সময় টেস্ট ক্রিকেট থেকে দূরে ছিলো সে।’
ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ) চাইলেই হ্যাজেলউডের আইপিএলের অংশগ্রহণে বাঁধা দিতে পারতো। কিন্তু সিএ সেটি করেনি। কেন হ্যাজেলউডকে বাঁধা দেয়নি সিএ, সেটিও বলে দিয়েছেন ক্লার্ক, ‘তারা এটা পারে। তারা যেতে বাধা দিতে পারে। কিন্তু এটা ভারত। মাথা খারাপ নাকি আটকাতে যাবে। ভারতকে কেউ না বলতে পারে না।’
সিএ চাইলে আইপিএলে খেলা থেকে কিভাবে আটকাতে পারতো, সেই উপায়ও বলে দিয়েছেন ক্লার্ক। তিনি বলেন, ‘ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া বলতে পারতো আইপিএল তোমাকে ৮ সপ্তাহের জন্য ৩ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছে, আমরা তোমাকে সেই ৩ মিলিয়ন ডলার দিয়ে দিচ্ছি, তুমি বাড়ি থাকো এবং আমাদের সাথে অনুশীলন করো।’
আগামী ৭ জুন ওভালে ভারতের বিপক্ষে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল এবং ১৬ জুন থেকে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অ্যাশেজ শুরু করবে অস্ট্রেলিয়া।