গতকাল ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ শাণাতে থাকে আনচেলত্তির শিষ্যরা। এরই ফাঁকে ১২তম মিনিটে প্রায় গোলে খেয়েই বসেছিল রিয়াল। আলফান্সো এসপিনোর কোনাকুনি নেওয়া শট থিবো কোর্তোয়াকে ফাঁকি দিয়ে চলে যায়। তবে গোলে পোস্ট বাঁধ সাধায় স্প্যানিশ শিরোপাধারীরা এই যাত্রায় বেঁচে যায়।
খেলার ১৬ মিনিটে ও ৩৫ এবং ৪০ মিনিটের মাঝে তিনটি সুযোগ নষ্ট করে রিয়াল। খুব কাছে গিয়ে গোল দিতে পারেনি তারা। প্রথম দু’বার অবশ্য গোলরক্ষক ও ক্রসবারের কারণে সুযোগ বিফলে যায়। কিন্তু তৃতীয় সুযোগে রদ্রিগো গোলরক্ষককে একা পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন। যার ফলে প্রধমার্ধে গোল দিতে পারেনি কোনো দলই।
.png)
দ্বিতীয়ার্ধে ৫৭ মিনিটে রদ্রিগো ফাঁকা জাল পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি। একপাশে গোলরক্ষক ঝুঁকে পড়ায় আরেক পাশে এই সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। ৬৪ মিনিটে আবারও পোস্ট আটকে দেয় বেনজেমাকে। খেলার ৭২ মিনিটে রিয়ালকে এগিয়ে দেন নাচো (১-০)। এগিয়ে থেকে ব্যবধান দ্বিগুন করতে সময় নেয়নি রিয়াল। খেলার ৭৬ মিনিটে রিয়ালের হয়ে ব্যবধান দ্বিগুন করেন অ্যাসেনসিও (২-০)। এর আগে সর্বশেষ চ্যাম্পিয়ন্স লিগে চেলসির বিপক্ষেও তিনি দলের দ্বিতীয় গোলটি করেছিলেন।
এই জয়ে ২৯ ম্যাচে ১৯ জয় ও ৫ ড্রয়ে ৬২ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে রয়েছে রিয়াল। তাদের চেয়ে এক ম্যাচ কম খেলা বার্সেলোনার পয়েন্ট ৭২।