কুমিল্লার এই মাঠটি আবাহনীর কাছে ঘরের মাঠ হিসাবে পরিচিত। তাছাড়া তাপমাত্রা বেশি থাকায় খেলার উপর কিছুটা প্রভাব পড়েছে।
খেলার ১৭ মিনিটে কলিন্দ্রেসের গোলে এগিয়ে যায় আবাহনী (১-০)। গোলটি আসে পেনাল্টি থেকে। ডি-বক্সের মধ্যে ফাউলের শিকার হন কোস্টারিকান ফরোয়ার্ড। সঙ্গে সঙ্গে ফাউলের বাঁশি বাজান রেফারি। স্পট কিক থেকে দলে এগিয়ে নেন কলিন্দ্রেস। বাকি সময়ে গোল না হওয়ায় লিড রেখে বিরতি যায় আবাহনী।
.png)
বিরতির পর দলের ব্যবধান দ্বিগুন করেন জীবন (২-০)। খেলার ৫৮ মিনিটে গোল করেন তিনি। খেলার ৭৯ মিনিটে দলের তিন নম্বর গোলটি করেন কলিন্দ্রেস (৩-০)। তারপর যোগ করা সময়ে রহমতগঞ্জের জালে শেষ আঘাত করে হ্যাটট্রিক করেন কলিন্দ্রেস (৪-০)।
এই জয়ে ১২ ম্যাচে আবাহনীর সংগ্রহ ২৭ পয়েন্ট। পয়েন্ট টেবিলে ১১ ম্যাচে ৩১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে বসুন্ধরা কিংস। হারের পর পুরান ঢাকার দল রহমতগঞ্জের সংগ্রহ ১০ পয়েন্ট।