তবে ইনজুরির কারণে বিশ্বকাপ স্কোয়াড থেকে বাদ পড়েছিলেন জিওভান্নি লো সেলসো। এতে কাতার বিশ্বকাপের একটি ম্যাচেও মাঠে নামতে পারেননি তিনি। আর এজন্য একটানা তিন দিন কেঁদেছিলেন এ আর্জেন্টাইন ফুটবলার।
সম্প্রতি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে পানামার বিপক্ষে আর্জেন্টিনা দলে ডাক পেয়েছিলেন জিওভান্নি। তবে বসে থাকতে হয়েছে বেঞ্চে। কিন্তু কুরাকাওয়ের বিপক্ষে মাঠে নেমেই পায়ের জাদুতে ফুটবলপ্রেমীদের মুগ্ধ করেছেন তিনি।
.png)
লিওনেল মেসির ১০০তম গোলটি আসে জিওভান্নির অ্যাসিস্ট থেকেই। এ ম্যাচে মেসিকে দিয়ে আরো একটি গোল করান টটেনহাম থেকে ভিয়ারিয়ালে ধারে আসা এই মিডফিল্ডার।
এরপর মেসিকে অভিনন্দন জানিয়ে ইনস্টাগ্রামে তিনি লেখেন, ‘পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর জার্সি পরার আনন্দ আবারো উপভোগ করছি। এ মুহূর্তের অপেক্ষাতেই ছিলাম। সতীর্থদের সঙ্গে উপভোগ করেছি। ১০০ গোল পেরিয়ে যাওয়ার নতুন রেকর্ডের জন্য লিওনেল মেসিকে অভিনন্দন।’
কুরাকাওয়ের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে লো সেলসো জানিয়েছেন, ‘বিশ্বকাপে খেলতে পারব না জানার পর তিন-চার দিন বাথরুমে শুধুই কেঁদেছি।’