এরই মধ্যে প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজিকে এ কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। কারণ আইপিএলের পরেই বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ও ওয়ানডে বিশ্বকাপ। এই দুই প্রতিযোগিতায় যেন বোলারদের সম্পূর্ণ সুস্থ অবস্থায় পাওয়া যায়, তার জন্য এই নির্দেশ দিয়েছে বিসিসিআই।
আইপিএলের সব ফ্র্যাঞ্চাইজির ফিজিওদের সঙ্গে কথা বলেছেন জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমির ফিজিও নীতিন প্যাটেল ও ভারতীয় দলের ফিজিও সোহম দেশাই। সেখানে তারা জানিয়েছেন, ১২ জন ভারতীয় বোলারের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে। তাদের সাবধানে ব্যবহার করতে হবে।
.png)
তালিকাভূক্ত এই ১২ বোলার আইপিএলের সাতটি দলে খেলেন। তারা হলেন, গুজরাট টাইটান্সের মোহাম্মদ শামি, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর মোহাম্মদ সিরাজ, কলকাতা নাইট রাইডার্সের উমেশ যাদব ও শার্দুল ঠাকুর, চেন্নাই সুপার কিংসের দীপক চাহার, দিল্লি ক্যাপিটালসের কুলদীপ যাদব ও আক্সার প্যাটেল, রাজস্থান রয়্যালসের রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও যুবেন্দ্র চহাল এবং সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ভুবনেশ্বর কুমার, উমরান মালিক ও ওয়াশিংটন সুন্দর।
বিসিসিআইয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ভারতীয় বোলারদের খুব সাবধানে ব্যবহার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নেটে তারা অতিরিক্ত বোলিং করবেন না। ফিল্ডিং অনুশীলন অবশ্য তারা করবেন।
মে মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে নেটে বোলিংয়ের সময় বাড়াবেন এই বোলরারা। বিসিসিআই সব সময় ফ্র্যাঞ্চাইজিদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবে। কোনো বোলার যদি বলেন যে তার কোনো সমস্যা হচ্ছে, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে বোর্ডকে সে কথা জানাতে হবে।