নির্ধারিত ২০ ওভারের শেষ বলে অল আউট হওয়ার আগে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ ১১৭ রান।
মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। এদিন ইংল্যান্ডের হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন ফিল সল্ট ও ডেভিড মালান।
.png)
ব্যাটিং অর্ডারে প্রমোশন পেলেও মালানের ভাগ্যে পরিবর্তন হয়নি। তাকে থার্ড ম্যান অঞ্চলে হাসান মাহমুদের তালুবন্দী করেন তাসকিন আহমেদ। এর আগে এ ব্যাটার করেন ৫ রান।
দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ৩৪ রান যোগ করেন সল্ট ও মঈন আলী। এ দুজনের ব্যাটে যখন ম্যাচে প্রাধান্য বিস্তার করছে ইংল্যান্ড তখনই আক্রমণে এসে শিকারে মাতেন সাকিব। ২৫ রানে সল্টকে ফেরান টাইগার অধিনায়ক।
এদিকে আক্রমণে এসে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে জস বাটলারকে ফেরান হাসান মাহমুদ। মঈন আলীকেও ১৫ রানের বেশি করতে দেননি মেহেদী হাসান মিরাজ। ৫৭ রানে চার উইকেট হারিয়ে ফের ব্যাকফুটে চলে যায় ইংল্যান্ড।
এ অবস্থায় হাল ধরে ধীরে ধীরে দলকে এগিয়ে নিতে থাকন বেন ডাকেট ও স্যাম কুরান। দুজনে গড়েন ৩৪ রানের জুটি। ইংলিশ শিবিরে এরপর জোড়া আঘাত হানে মিরাজ। স্যামকে ১২ রানে ফেরানোর পর ক্রিস ওকসকে রানের খাতাই খুলতে দেননি তিনি।
এখানেই থামেননি মিরাজ। নিজের শেষ ওভারে এসে ক্রিস জর্ডানকেও ফেরান তিনি। এর মাধ্যমে টি-২০তে নিজের সেরা বোলিং রেকর্ড গড়েন এ অফস্পিনার। ৪ ওভারে মাত্র ১২ রান দিয়ে ৪ উইকেট শিকার করেন মিরাজ।
ইনিংসের শেষ ওভারে আউট হওয়ার আগে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৮ রান করেন বেন ডাকেট। অভিষিক্ত রিহান আহমেদের ১১ রানের ক্যামিওতে লড়াই করার মতো পুঁজি পায় ইংলিশরা।
বাংলাদেশের হয়ে মিরাজ ৪ উইকেট নেন। এছাড়া তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, সাকিব আল হাসান ও হাসান মাহমুদ প্রত্যেকেই একটি করে উইকেট শিকার করেন।