এ সময়ের মধ্যে অসংখ্য রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। যার মধ্যে তামিম-লিটন উদ্বোধনী জুটির ২৯২ রানের রেকর্ডটি অন্যতম। অবিশ্বাস্য ও দুর্দান্ত সেই রেকর্ডটি সংঘটিত হয়েছিল আজ (৬ ফেব্রুয়ারি) থেকে ঠিক ৩ বছর আগে।
২০২০ সালের ৬ মার্চ সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হয়েছিল স্বাগতিক বাংলাদেশ। ম্যাচটি জিতলেই আবারো ‘বাংলাওয়াশ’ হবে জিম্বাবুয়ে। একই সঙ্গে সেটি ছিল অধিনায়ক হিসেবে মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার শেষ ম্যাচ।
.png)
এমন ম্যাচে টস হেরে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। ম্যাচ শুরুর আগে সিলেটে মুষলধারে বৃষ্টি নামে। কার্টেল ওভারের ম্যাচে নির্ধারিত ৪৩ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে ৩২২ রান যোগ করে স্বাগতিকরা। এ ম্যাচে দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের রেকর্ড বইয়ে রীতিমতো ভাঙা-গড়ার খেলায় মাতেন টাইগার ওপেনার লিটন দাস।
এ ম্যাচেই এখন পর্যন্ত ওয়ানডেতে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ১৭৬ রানের ইনিংস খেলেন লিটন। যা একইসঙ্গে দেশের যেকোনো ব্যাটারের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। অন্যদিকে তার সঙ্গী ও দেশসেরা ওপেনার তামিম ইকবালের ব্যাট থেকে আসে ১২৮ রান।
রেকর্ড গড়ার দিনে তামিম-লিটন জুটিতে রান আসে ২৯২। যার মধ্য দিয়ে দেশের যেকোন জুটির রেকর্ড ভাঙেন তারা। এর আগে ২০১৭ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে নিজজিল্যান্ডের বিপক্ষে পঞ্চম উইকেটে রেকর্ড জুটি গড়েন সাকিব-মাহমুদউল্লাহ। দলের সিনিয়র এ দুই খেলোয়াড়ের ব্যাট থেকে আসে ২২৪ রান। যে রেকর্ডটি ভেঙে চুরমার করে দেয় তামিম-লিটনের ২৯২ রানের জুটি।
এছাড়া বাংলাদেশ ক্রিকেটের ইতিহাসে ওপেনিং জুটিতে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড ছিল ১৭০। যা ১৯৯৯ সালে মেহরাব হোসেন ও শাহরিয়ার হোসেন জুটি করেছিল। প্রতিপক্ষ ছিল ওই জিম্বাজুয়েই।
রেকর্ডের দিনে নজর কেড়েছিলেন লিটন দাস। এক দিনের ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি বাউন্ডারি হাঁকিয়েছিলেন এ উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। তিনি ১৭৬ রানের ইনিংসটি সাজিয়েছিলেন ২৪ টি বাউন্ডারিতে। যার মধ্যে ছিল ৮টি ছয় ও ১৬টি চার।
ম্যাচটিতে ২১৮ রানে অল আউট হয় জিম্বাবুয়ে। যার ফলে বাংলাদেশ পায় ১২৩ রানের বিশাল জয়। যতদিন দেশের ক্রিকেট থাকবে, ম্যাচটি সবার স্মৃতিতে থাকবে চির অমলিন।