ঢাকা,  শনিবার   ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩

[ খেলা ]

লড়াই করে ফিরলেন সাকিব- ইয়াসির

বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ-২২
ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২০:২৯, ১৮ মার্চ ২০২২
লড়াই করে ফিরলেন সাকিব- ইয়াসির
সাকিব আল হাসান ও ইয়াসির আলী রাব্বি

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে আগে ব্যাট করছে বাংলাদেশ। এই সফরে খেলারই কথা ছিল না তার। সেঞ্চুরিয়ানে প্রথম ওয়ানডেতে ব্যাটিংয়ে নেমে পায়ের পেশিতে টান পড়তেও দেখা যায় সাকিব আল হাসানের। তবে সবকিছুকে পাশ কাটিয়ে লড়াই করেই ফিরেছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সঙ্গে ছিলেন ইয়াসির আলী রাব্বি।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪৩.৩ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২৪৫ রান।

শুক্রবার সেঞ্চুরিয়নের সুপারস্পোর্ট পার্কে দারুণ ব্যাটিংয়ে তুলে নিয়েছেন ‘ফিফটির ফিফটি’।  ছক্কা হাঁকিয়েই ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ৫০তম হাফসেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন সাকিব। ইয়াসির রাব্বিকে সঙ্গে নিয়ে চতুর্থ উইকেটে দুর্দান্ত এক জুটি গড়েন তিনি।

এই ম‍্যাচেই তামিম ইকবাল ও লিটন দাসের ৯৫ ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে বাংলাদেশের সেরা জুটি। সেটাকে দুইয়ে নামিয়ে দেশকে প্রথম শতরানের জুটি এনে দেব সাকিব আল হাসান ও ইয়াসির আলি চৌধুরি, সেটাও কেবল ৭২ বলে। 

লুঙ্গি এনগিডির নিচু ফুলটস বল স্কুপ করার চেষ্টায় এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন সাকিব আল হাসান। রিভিউ নেননি তিনি। ভাঙে ৮২ বল স্থায়ী ১১৫ রানের জুটি।

শত রানের জুটি ভেঙে সাকিব আল হাসানের বিদায়ের এক বল পর ফিরে গেলেন ইয়াসির আলি চৌধুরিও। লিটনের মতো এই মিডল অর্ডার ব‍্যাটসম‍্যানও বিদায় নিলেন পঞ্চাশ ছুঁয়েই।

কাগিসো রাবাদাকে পুল করে ছক্কায় ওড়াতে চেয়েছিলেন ইয়াসির। টাইমিং করতে পারেননি, সহজ ফিরতি ক‍্যাচ নেন বোলার।

এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে তামিম ইকবাল ও লিটন দাসের সাবধানি ব্যাটিংয়ে ৪৬ পার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে ওপেনিংয়ে সর্বোচ্চ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশ।  এর আগে ৯ ওয়ানডেতে ওপেনিংয়ে সর্বোচ্চ ছিল ৪৬ রান। ১৬তম ওভারের প্রথম বলে কিপারের মাথার উপর দিয়ে উড়িয়ে চার মেরে ৪৬ থেকে টপকে ৫০ রানে নিয়ে যান তামিম। 

অফ স্টাম্পের বাইরে থেকে সুইং করে ভেতরে ঢোকা বল লেগে ঘুরাতে চেয়েছিলেন তামিম। ব‍্যাটে খেলতে পারেননি। আম্পায়ার এলবিডব্লিউ দিলে নেন রিভিউ। তবে কোনো কাজ হয়নি, বল লাগতো মিডল স্টাম্পে। ভাঙে ১৩০ বল স্থায়ী ৯৫ রানের জুটি। 

দক্ষিণ আফ্রিাকায় ওয়ানডে এটাই বাংলাদেশের সেরা জুটি। আগের সেরা ছিল ২০১৭ সালে তৃতীয় উইকেটে ইমরুল কায়েস ও মুশফিকুর রহিমের ৯৩।

ছন্দে থাকা লিটন দাস বড় করতে পারলেন না ভালো শুরুটা। তামিম ইকবালের মতো আরেকটি নিচু হওয়া বলে বোল্ড হয়ে গেলেন ডানহাতি এই ওপেনার।

আগের বলে দুই রান নিয়ে ফিফটিতে যান লিটন।  পরের বল সরে গিয়ে কাট করতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বল নিচু হয়ে যাওয়ায় ব‍্যাটে খেলতে পারেননি। হয়ে যান বোল্ড। ৬৭ বলে এক ছক্কা ও পাঁচ চারে ৫০ রান করেন লিটন।

এরপর ক্যাচে দিয়ে ফিরলেন মুশফিকুর রহিমও। প্রিয় শট ঠিক মতো খেলতে পারলেন না এ ব্যাটার। স্লগ সুইপ খেলতে গিয়ে করে ফেললেন গড়বড়। ব‍্যাটের উপরের কানায় লেগে উঠে গেল সহজ ক‍্যাচ।

বাঁহাতি স্পিনার কেশভ মহারাজের বলে শর্ট ফাইন লেগে ধরা পড়েন মুশফিক। এক চারে ১২ বলে তিনি করেন ৯। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!