ঢাকা,  শনিবার   ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

খুলনায় ৩৯৪ পূজামণ্ডপ ঘিরে তিন স্তরের নিরাপত্তা

খুলনা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৪:০০, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
খুলনায় ৩৯৪ পূজামণ্ডপ ঘিরে তিন স্তরের নিরাপত্তা
খুলনায় পূজামন্ডপের নিরাপত্তা নিয়ে এসআরবি-৬ এর প্রেস ব্রিফিং। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

খুলনা জেলা ও মহানগরীর ৩৯৪টি পূজামণ্ডপে তিন স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-৬ (এসআরবি-৬)। শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন নিশ্চিত করতে নিরাপত্তার অংশ হিসেবে টহল জোরদার, অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন, সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মনিটরিং করা হচ্ছে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে খুলনার ধর্মসভা মন্দিরে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান এসআরবি-৬ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নিস্তার আহমেদ।

তিনি বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে শান্তি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে পূজা উদযাপন করাই তাদের মূল লক্ষ্য। এসআরবি ফোর্সেস সদর দপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী গত ১৩ অক্টোবর থেকে পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তায় বিশেষ টহল কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

এসআরবি-৬ এর দায়িত্বপূর্ণ আটটি জেলায় মোট ৫ হাজার ৩৫৪টি পূজামণ্ডপ রয়েছে। এর মধ্যে খুলনা জেলা ও মহানগরীতে ৩৯৪টি। নিরাপত্তা কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য পূজামণ্ডপগুলোকে জেলাভিত্তিক ও উপজেলাভিত্তিক ভাগ করে প্রতিটি উপজেলায় ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা নির্ধারণ করা হয়েছে। তারা টহল দল নিয়ে নিজ নিজ এলাকার পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করছেন।

নিরাপত্তার তিনটি স্তর সম্পর্কে অধিনায়ক বলেন, প্রথম স্তরে টহল দল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করছে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহনে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। দ্বিতীয় স্তরে সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি এবং তৃতীয় স্তরে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় রিজার্ভ ফোর্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, অনলাইন প্ল্যাটফর্মে গুজব ও উসকানিমূলক প্রচারণা ঠেকাতে সদর দপ্তর থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে সাইবার মনিটরিং করা হচ্ছে। পাশাপাশি আঞ্চলিক পর্যায়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার আগেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

অধিনায়ক জানান, পূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর সমন্বয় সভা সম্পন্ন হয়েছে। আয়োজক কমিটি, সাধারণ মানুষ, গণমাধ্যম ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এবারও নির্বিঘ্নে দুর্গোৎসব সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/খুলনা
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!