ঢাকা,  শনিবার   ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩

[ খেলা ]

৮ ছক্কা খেয়ে আফ্রিদির লজ্জার রেকর্ড

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩:৩১, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২
৮ ছক্কা খেয়ে আফ্রিদির লজ্জার রেকর্ড
শহীদ আফ্রিদি

পাকিস্তানের হয়ে ১টি করে টেস্ট ও ওয়ানডে খেলা বাঁহাতি স্পিনার জাফর গহর হয়তো মনে মনে একটু খুশিই হয়েছেন। মাত্র এক বছর আগেই যে লজ্জার এক রেকর্ড গড়েছিলেন তিনি। গতকাল তাকে সেই লজ্জার হাত থেকে মুক্তি দিয়েছেন পাকিস্তানের তারকা অলরাউন্ডার শহীদ আফ্রিদি। কারণ গহরের সেই লজ্জার রেকর্ড যে ভেঙে দিয়েছেন তিনি।

এর আগে অনেকবারই অবসর নেয়ার ঘোষণা দিয়ে আবারো ক্রিকেট মাঠে ফিরেছেন আফ্রিদি। চলমান পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) এবারের মৌসুম খেলে অবশ্য একদম অবসর নেয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। সে পথে বৃহস্পতিবার এই কিংবদন্তি অলরাউন্ডারের শেষের শুরুটা মোটেই ভালো হয়নি।

ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের কাছে গতকাল ৪৩ রানে হেরেছে আফ্রিদির দল কোয়েটা গ্ল্যাডিয়েটর্স। হার-জিত খেলারই অংশ। তাই এই ম্যাচে এটুকু মেনে নিতে আফ্রিদির সমস্যা হওয়ার কথা না। তবে নিজের বাজে বোলিংয়ের রেকর্ডটা কি ভুলতে পারবেন তিনি?

পিএসএলে কাল প্রথম মাঠে নেমেছিলেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক। ইসলামাবাদ ইউনাইটেড এ ম্যাচে আগে ব্যাট করে ৪ উইকেটে ২২৯ রান সংগ্রহ করে। যেখানে আফ্রিদির একারই ‘অবদান’ ৪ ওভারে ৬৭ রানে ১ উইকেট। এর মাঝে ছক্ষা খেয়েছেন ৮টি!

পিএসএলের ইতিহাসে এক ইনিংসে এটাই সর্বোচ্চ রান দেওয়ার রেকর্ড। এর মধ্য দিয়ে গত বছর পিএসএলে পেশোয়ার জালমির বিপক্ষে জাফর গহরের দেওয়া ৬৫ রানের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন আফ্রিদি।

পল স্টার্লিং, কলিন মুনরো ও আজম খানদের মারমুখী ব্যাটিংয়ের সামনে তেমন ‘ডট’ বল আদায় করতে পারেননি কোয়েটার বোলাররা। সর্বোচ্চ ১১টি ‘ডট’ আদায় করেন মোহাম্মদ নওয়াজ। আফ্রিদি খেলাতে পেরেছেন ৪ বল ডট। তবে নিজের ৪ ওভারের কোটায় ৮টি ছক্কা মেনে নিতে কষ্ট হবে আফ্রিদির। 

পিএসএলের ইতিহাসে প্রথম বোলার হিসেবে ইনিংসে ৮টি ছক্কা হজম করলেন আফ্রিদি। তার প্রথম ওভারে তিন ছক্কা হাঁকান মুনরো। এরপর তৃতীয় ওভারে দুটি এবং চতুর্থ ওভারে আরও তিনটি ছক্কা মারেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক মঈন খানের ছেলে আজম খান।

মারমুখী ব্যাটিংয়ে ক্যারিয়ারজুড়ে খ্যাতি কুড়ানো আফ্রিদি ব্যাটিংয়েও ভালো করতে পারেননি। ৮ বলে ৪ রান করে আউট হন তিনি। বোলারদের পিটিয়ে ছাতু বানাতে সিদ্ধহস্ত এই অলরাউন্ডারকেই কাল প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানদের কাছে ধুন্ধুমার মার হজম করতে হলো। 

তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাকিস্তান ক্রিকেটের বেশির ভাগ ভক্ত আফ্রিদির পাশেই দাঁড়াচ্ছেন। ৪১ বছর বয়সী ক্রিকেটারকে নিয়ে এক ভক্তের টুইট, ‘বুম বুম শহীদ আফ্রিদির সেরা সময় যারা দেখেছেন, তাদের কাছে তার এমন বোলিং দেখা সত্যিই কষ্টকর। এক দশক আগেও তিনি যেমন ছিলেন, এখন তার ছায়া হয়েও নেই। টিকে থাকো চ্যাম্পিয়ন!’

ডেইলি-বাংলাদেশ/এএল
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!