‘তখন তাকে আমার দরকার ছিল, কিন্তু অনুরোধ করিনি’
বাইশ গজে একসঙ্গে অনেক ম্যাচে মাঠে নেমেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার দুই ক্রিকেটার এবিডি ভিলিয়ার্স ও ফাফ ডু প্লেসি। ২০১৮ সালের মে মাসে আচমকা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন ডি ভিলিয়ার্স। বিশ্বকাপের ঠিক এক বছর আগে ভিলিয়ার্সের এমন সিদ্ধান্তে চমকে যায় ক্রিকেট বিশ্ব। ধাক্কা খেয়েছিলেন ডু প্লেসিও। অধিনায়ক হিসেবে দলে ভিলিয়ার্সের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেও তাকে অবসর না নিতে অনুরোধ করেননি তিনি।
বন্ধু হিসেবে ভিলিয়ার্সের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছিলেন ডু প্লেসি। তবে প্রোটিয়াদের অধিনায়ক হিসেবে ঘটনাটি মেনে নেয়া তার জন্যে অনেক কষ্টসাধ্য ছিল বলে জানিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন ডু প্লেসি।
ভারতীয় ক্রিকেটার রবিচন্দ্রন অশ্বিনের সঙ্গে এক ইউটিউব চ্যানেলে আলাপকালে তিনি বলেন, এবি যখন চলে যায়, সময়টা আমার জন্য অনেক কঠিন ছিল। বন্ধু হিসেবে বলুন বা দলের একজন সেরা খেলোয়াড় হিসেবে, আমি ভিলিয়ার্সের ওপর অনেক নির্ভরশীল ছিলাম। তার দুর্দান্ত স্কিল দলের খুব প্রয়োজন ছিল।
ডু প্লেসি আরো বলেন, যখন সে আমায় বলল যে সে আর খেলছে না তখন আমি ওকে বলেছিলাম, আমি তোমার সঙ্গে আছি। আমি তোমাকে সবসময় সমর্থন করে যাব। যদি তুমি মনে করো তোমার ক্যারিয়ার শেষ বা তুমি খেলতে চাও না- তাহলে সেটাই ঠিক আছে। আমি ওর সিদ্ধান্তকে শতভাগ সমর্থন করেছিলাম।
ভিলিয়ার্সকে সিদ্ধান্ত বদলানোর অনুরোধ করেননি জানিয়ে ডু প্লেসি বলেন, অধিনায়ক হিসেবে আমার তখন মনে হচ্ছিল এবিকে ছাড়া আমরা কীভাবে চলব? আমার দলের পারফরম্যান্স একইরকম কীভাবে হবে? কিন্তু আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করে বন্ধু আমি অধিনায়ক আমিতে পরিণত হলাম। ওকে বলেছিলাম, আমরা তোমাকে মিস করব। কিন্তু তুমি যা বলছ তা কি নিশ্চিত?
প্রোটিয়া অধিনায়ক যোগ করেন- সে আমায় বলল, ‘হ্যাঁ আমি নিশ্চিত। আমি আর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে চাই না। আমি এখানেই থামছি।’ তখন তাকে আমার খুব দরকার ছিল। কিন্তু আমি তার সিদ্ধান্তে সম্মান রাখি। এমনকি আমি ডিভিলিয়ার্সকে দলে ফেরার জন্য অনুরোধও করিনি।