বরিশাল সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের সদস্য সচিব কাজী এনায়েত হোসেন শিবলু জানান, ১৯৭২ সালে স্থানীয় সংগীত প্রেমীদের উদ্যোগে আলতাফ মাহমুদের নামে একটি সংগীত বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১৯৮৫ সালে বরিশাল নগরীর সদরের হাসপাতাল রোডের পাশে সাড়ে ১০ শতাংশ জমিসহ একটি একতলা পাকা ভবন বিদ্যালয়টির নামে বরাদ্দ দেন তৎকালীন ডিসি আজিজ আহমেদ। সেই থেকে হাসপাতাল রোডের ওই ভবনে সংগীত বিদ্যালয়ের কার্যক্রম চলছিল। বরিশালে আলতাফ মাহমুদের অন্যান্য স্মৃতিচিহ্ন মুছে গেলেও এ বিদ্যালয়ের মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম তাকে ও তার সৃষ্টিকর্মকে জানতে পারছে।
বিদ্যালয়টির সংগীত শিক্ষক বীণা সেন জানান, বিদ্যালয়ের কার্যক্রমসহ বিদ্যুৎ বিল ও সিটি কর্পোরেশনের হোল্ডিং ট্যাক্স নিয়মিত পরিশোধ করা হচ্ছে। তবে ওই জমি নগরীর প্রাণকেন্দ্রে ও মূল্যবান হওয়ায় তাতে দৃষ্টি পড়ে নগরীর একটি চক্রের।
.png)

বরিশালের শিক্ষক আন্দোলনের পুরোধা ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক মহসিন-উল ইসলাম হাবুল বলেন, ২০০৭ সালে সরকারি গেজেটভুক্ত হওয়া জমিটি ২০১২ সালে বিএস রেকর্ডেও ১ নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত হয়। কিন্তু বর্তমানে মূল্যবান এ জমির দিকেও লোলুপ দৃষ্টি পড়েছে ভূমিগ্রাসীদের। প্রভাবশালী চক্রটি মামলাসহ বিভিন্ন কৌশলে এ জমি দখলের চেষ্টা করছে।
ডিসি এসএম অজিয়র রহমান বলেন, জেলা প্রশাসন থেকে ওই প্রতিষ্ঠানের নামে ভিপি সম্পত্তি লিজ দেয়া হয়। সম্প্রতি এক ব্যক্তি ওই জমি তার নিজের দাবি করে আদালতে মামলা করেছেন। কিন্তু সেখানে শহীদ আলতাফ মাহমুদ সংগীত বিদ্যালয়ের কার্যক্রম এখনো চলছে।
অজিয়র আরো বলেন, এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসন থেকে আদালতে জবাব দাখিল করা হয়েছে। বিচারাধীন কোনো বিষয় নিয়ে মন্তব্য করার সুযোগ নেই। তবে রেকর্ডসহ সার্বিক তথ্য অনুযায়ী ওই সম্পত্তি ভিপি সম্পত্তি হিসেবেই থাকবে বলে আশা করছি। সেখানেই বিদ্যালয়টি সুন্দরভাবে চলবে।