এতদিন মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা, ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি ব্ল্যাকহোল-এর খোঁজ দিত। প্রথমবারের মতো ইসরো তার অত্যাধুনিক রকেট পাঠাচ্ছে। সেখানে থেকেই নিউট্রন তারার জন্ম-মৃত্যু, কৃষ্ণগহ্বরদের শিকারপর্ব, মহাকর্ষীয় তরঙ্গের বিচ্ছুরণ দেখবে ইসরো-র স্যাটেলাইট। সেই সংক্রান্ত খবর পাঠাবে পৃথিবীতে।
এই মুহূর্তে সূর্যে অভিযান করছে সৌরযান আদিত্য এল-১। জানুয়ারির ৬ তারিখের মধ্যে তা সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে ল্যাগরাঞ্জিয়ান পয়েন্টে গিয়ে পৌঁছবে। তারই মাঝে ব্ল্যাকহোল, নিউট্রন নক্ষত্রদের খবর আনতে মহাকাশে রকেট পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে ইসরো।
.png)
মহাকাশবিজ্ঞানীরা বলছেন, এই নিউট্রন তারা বা নিউট্রন স্টারেরা ভর ও আকারে সূর্যের চেয়েও বহুগুণ বড় হয়। এদের প্রতিদ্বন্দ্বী ব্ল্যাকহোলদের মধ্যে অনেকেরই ভর সূর্যের ভরের চেয়ে প্রায় ২৩ গুণ বেশি।