যে খামারের জমিতে এটি আবিষ্কৃত হয় সেই খামারটির নাম হোবা । সেই খামারের নামানুসারেই এর নামকরণ করা হয়। হোবা মূলত আয়রণ বা লোহা দিয়ে গঠিত। এর ভরের ৮৪ শতাংশ আয়রণ, ১৬ শতাংশ নিকেল এবং খুবই অল্প পরিমাণে কিছু কোবাল্ট এবং অন্যান্য ধাতু রয়েছে।
এর ওজন প্রায় ৬০ টন এর মত। এটি দৈর্ঘ্যে ৯ ফুট, এবং প্রস্থেও ৯ ফুট। ধারণা করা হয় এটি পতিত হওয়ার সময় এর ওজন ছিল ৬৬ টনের ও বেশি। মাটির নিচে ঢাকা পড়ে যাওয়ায় জারণ বিক্রিয়ায় কিছু ধাতু ক্ষয় হয়ে এটি প্রায় ৬ টন কমে গেছে।
.png)
এর অধিক ভরের কারণে এটি যেখানে পতিত হয়েছিল এখনো সেখানেই আছে। নামিবিয়ার সরকার উক্ত জায়গাটিকে জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভ ঘোষণা করেছে। প্রতিবছর অনেক পর্যটক নামিবিয়া যান হোবা দর্শন করতে।