বাইডেন প্রশাসন সম্প্রতি এমনটাই জানিয়েছে তাদের এক বিবৃতিতে। জানানো হয়েছে, বাইডেন প্রশাসনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগ বর্তমানে বিশ্ব উষ্ণায়নকে অনেকটাই গুরুত্ব দিয়ে ভাবছে। এর জন্য সোলার জিও ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে একটি বিশেষ শাখাও গুরুত্ব পাচ্ছে বিজ্ঞানে। সেই শাখার জোরেই উষ্ণায়নের সমস্যাগুলি কমানো সম্ভব কি-না তা পরীক্ষা নিরীক্ষা করছে বিজ্ঞানীরা।
সম্প্রতি প্রকাশিত বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, উষ্ণায়ন একটি গুরুতর সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই অবস্থাতে পৃথিবীকে রক্ষা করতে কোনোভাবে সূর্যের আলোকরশ্মি আটকানো সম্ভব কী? সেই পথই খুঁজছে বাইডেন প্রশাসনের বিজ্ঞানীরা। সোলার জিও ইঞ্জিনিয়ারিং নামে একটি বিশেষ বিজ্ঞানের ধারাকে ব্যবহার করা হচ্ছে এই কাজে। তবে সূর্যালোক পৃথিবীপৃষ্ঠে না পৌঁছালে আরও কিছু ক্ষতির আশঙ্কাও রয়েছে। ফলে উভয় বিপদের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানাচ্ছে বাইডেন প্রশাসন। এবার সেদিক নিয়েই চলবে হিসাবনিকাশ।
.png)
সূর্যের আলো পৃথিবীতে না এলে উষ্ণায়নের হার কিছুটা কমতে পারে। কিন্তু কী কী ক্ষতি হতে পারে এতে? প্রথমেই উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষনে বাধা তৈরি হবে। গাছের সালোকসংশ্লেষণের অন্যতম জরুরি উপাদান হল সূর্যালোক। ওই আলো না থাকলে কার্বন ডাই অক্সাইড বিশ্লেষিত হবে না। ফলে উৎপন্ন হবে না অক্সিজেন। এতে আরেক বিপত্তির আশঙ্কা রয়েছে।
তবে বিশ্ব উষ্ণায়নের মূল কারণ কিন্তু কয়েকটা বিষাক্ত গ্যাস। এদের বিজ্ঞানের ভাষায় গ্রিন হাউস গ্যাস বলা হয়। কার্বন ডাই অক্সাইড সহ আরও বেশ কিছু গ্যাস এভাবেই পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে বেড়ে চলেছে। অন্যদিকে গাছ কাটার হারও বাড়ছে। দুইয়ের জোড়া হানায় বাড়ছে গ্রিন হাউস গ্যাস। যার জেরেই বাড়ছে উষ্ণায়ন। এই পরিস্থিতিকে সামাল দিতেই নয়া পথের খোঁজ করছেন বিজ্ঞানীরা। হোয়াইট হাউসের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি দফতরের তরফেও এবার তেমনই ইঙ্গিত মিলেছে তাদের বিবৃতিতে।