ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ ধর্ম ]

ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পাঠের ফজিলত

ধর্ম ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭:০২, ১৮ নভেম্বর ২০২৪
ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পাঠের ফজিলত
ফাইল ছবি

পবিত্র কোরআনের সর্বশ্রেষ্ঠ আয়াত হলো আয়াতুল কুরসি। সূরা বাকারার ২৫৫ নম্বর আয়াত আয়াতুল কুরসি নামে পরিচিত। প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর নিয়মিত আমল আয়াতুল কুরসি। এ আয়াত পড়ায় অনেক ফজিলতের কথা ওঠে এসেছে হাদিসের বর্ণনায়। প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর কোরআনুল কারিমের মর্যাদাপূর্ণ আয়াত ‘আয়াতুল কুরসি’ পড়া সুন্নত। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিয়মিত এ আমল করতেন। কেন এ আমল করতেন তিনি?

হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে, তার জান্নাতে প্রবেশের পথে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো অন্তরায় থাকে না। (শুআবুল ঈমান : ২৩৯৫)।

পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পর এই আমল করা কোনো কঠিন বিষয় নয়। আমরা অনেকেই মুখস্থ পারি আয়াতুল কুরসি। যারা পারি না, তারাও মুখস্থ করে নিতে পারেন।

Advertisement

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আয়াতুল কুরসি কোরআনের অন্যসব আয়াতের সর্দার বা নেতা। আয়াতটি যে ঘরে পড়া হবে, সে ঘর থেকে শয়তান বের হয়ে যাবে।’

হজরত আলী (রা.) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সা.)কে বলতে শুনেছি- যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ সালাতের পর আয়াতুল কুরসি নিয়মিত পড়ে, তার জান্নাতে প্রবেশে কেবল মৃত্যুই অন্তরায় হয়ে আছে। যে ব্যক্তি এ আয়াতটি বিছানায় শয়নের সময় পড়বে আল্লাহ তার ঘরে, প্রতিবেশীর ঘরে এবং আশপাশের সব ঘরে শান্তি বজায় রাখবেন। [সুনানে বাইহাকী]

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, হাদিসের নির্দেশনা অনুযায়ী আয়াতুল কুরসির নিয়মিত আমল করা। প্রত্যেক ফরজ নামাজের সালাম ফেরানোর পর আয়াতুল কুরসি তেলাওয়াত করা। আর বিনিময়ে মহান আল্লাহ তাআলা দুনিয়ায় বদনজর থেকে নিরাপত্তা দান করবেন আর পরকালে জান্নাত দান করবেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এনকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!