হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে, তার জান্নাতে প্রবেশের পথে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো অন্তরায় থাকে না। (শুআবুল ঈমান : ২৩৯৫)।
পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পর এই আমল করা কোনো কঠিন বিষয় নয়। আমরা অনেকেই মুখস্থ পারি আয়াতুল কুরসি। যারা পারি না, তারাও মুখস্থ করে নিতে পারেন।
.png)
হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আয়াতুল কুরসি কোরআনের অন্যসব আয়াতের সর্দার বা নেতা। আয়াতটি যে ঘরে পড়া হবে, সে ঘর থেকে শয়তান বের হয়ে যাবে।’
হজরত আলী (রা.) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সা.)কে বলতে শুনেছি- যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ সালাতের পর আয়াতুল কুরসি নিয়মিত পড়ে, তার জান্নাতে প্রবেশে কেবল মৃত্যুই অন্তরায় হয়ে আছে। যে ব্যক্তি এ আয়াতটি বিছানায় শয়নের সময় পড়বে আল্লাহ তার ঘরে, প্রতিবেশীর ঘরে এবং আশপাশের সব ঘরে শান্তি বজায় রাখবেন। [সুনানে বাইহাকী]
সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, হাদিসের নির্দেশনা অনুযায়ী আয়াতুল কুরসির নিয়মিত আমল করা। প্রত্যেক ফরজ নামাজের সালাম ফেরানোর পর আয়াতুল কুরসি তেলাওয়াত করা। আর বিনিময়ে মহান আল্লাহ তাআলা দুনিয়ায় বদনজর থেকে নিরাপত্তা দান করবেন আর পরকালে জান্নাত দান করবেন।