মাহিদুর রহমান বলেন, নামাজ আর কোরআন পড়া ছাড়া অন্য কোনো কাজ করি না। আমার শিক্ষকরা আমাকে অনেক আদর করে। এতে কোরআন পড়ার প্রতি আরো বেশি আগ্রহ হয়। তাই সবাই দিনে ২-৩ পৃষ্ঠা কোরআন পড়লেও আমি পরি ১২-১৫ পৃষ্ঠা। এভাবেই আমার এগিয়ে যাই।
নাচোল কন্যানগর দারুল-উলুম কওমি মাদরাসার সহকারী শিক্ষক মাওলানা মো. মাহমুদ হাসান বলেন, আমার ছাত্র ও শিক্ষকতার জীবনে কোনো শিক্ষার্থীর এমন মেধা দেখিনি। এ মেধা আমরা কাজে লাগিয়েছি।
.png)
মাদরাসার মোহতামিম মাওলানা আব্দুর রহমান বলেন, একজন শিক্ষার্থীকে কোরআনের হাফেজ হতে আড়াই থেকে তিন বছর সময় লাগে। কিন্তু মাহিদুর রহমানকে আল্লাহ অনেক বেশি মেধা দিয়েছেন। এ জন্য সে মাত্র সাত মাসে কোরআনের হাফেজ হয়েছে।
মাদরাসার দাতা সদস্য আনসার আলী জানান, মাহিদুর সাত মাসে কোরআনে হাফেজ হয়েছে এটি আমাদের সবার গর্ব।