যে কাল ও স্থানের মাধ্যমে মানব জাতি তার ত্রুটি বিচ্যুতির ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারে। সেসব বিশেষ মৌসুমের মধ্য থেকে অন্যতম একটি মৌসুম হলো পবিত্র রমজান মাস।
আল্লাহ তাআলা বলেন- يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ
.png)
অর্থ ‘হে মুমিনগণ! তোমাদের উপর সিয়াম ফরজ করা হয়েছে, যেভাবে ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর। যাতে তোমরা তাকওয়া অবলম্বন কর।’ (সূরা: বাকারা, আয়াত: ১৮৩ আয়াত)
রমজান মাসের বিশেষ তাৎপর্যের কারণে মুসলিম উম্মাহ আনন্দ প্রকাশ করে থাকেন। তো এবার চলুন জেনে নিই কী সেই বিশেষ তাৎপর্যগুলো-
> রমজান মাসেই কোরআনুল কারিম নাজিল হয়েছে।
> রমজান বিশেষ রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস।
> রোজা দ্বারা মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তাআলার নৈকট্য প্রাপ্তি হয়।
> রোজা বান্দার পাপসমূহকে জ্বালিয়ে দেয়।
> ইফতারের পূর্ব মূহুর্তে রোজাদারের দোয়া কবুল হওয়ার নিশ্চয়তা। (এই বিশেষ মূহুর্তের প্রতি আমরা সকলে দোয়া করতে যত্নবান হই)
> রমজান মাস বিশেষ সোয়াব ও নেকী হাসিলের মাস। যেমন-
১টি ফরজ আদায় করিলে ৭০টি ফরজ আদায়ের সমান নেকী পাওয়া যায়।
১টি নফল আদায় করিলে ১টি ফরজ আদায়ের সমান নেকী পাওয়া যায়।
শবে-কদরের রাত্রির ইবাদত ১০০০ মাসের ইবাদতের (নেকীর) চেয়েও উত্তম।
> রমজান মাসে জান্নাতের সব দরজা খুলে দেওয়া হয় এবং জাহান্নামের সব দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়।
> বড় শয়তান ও দুষ্ট জ্বীনদের বন্দি করে রাখা হয়।
> রোজার প্রতিদান (নেকি) মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তাআলা নিজ হাতে দেবেন।
> রমজান সব বিষয়ে ধৈর্য্য, সহিষ্ণুতা, আত্মসংযম, সহমর্মিতা, ক্ষমা করা ও বিনম্র ব্যবহারের মাস। এবং আত্মশুদ্ধি অর্জনের প্রশিক্ষণের মাস।
আসুন! আমরা সবাই মাহে রমজানের বিশেষ সুবিধা সমূহ প্রাপ্তি এবং সব বিষয়ের গুণে গুণান্বিত হওয়ার জন্য সচেষ্ট হই।