কেবল মাত্র ২০২২-২৩ সালে ভারত হতে বাংলাদেশ ১৩.৮ বিলিয়ন ইউ এস ডলার মূল্যের পণ্য আমদানি করেছে (Reference: https://oec.world/.../bilateral-country/bgd/partner/ind)। একই সময়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে কেবল ২ বিলিয়ন ইউ এস ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। বাণিজ্য ঘাটতি ঐ বছরে ১১.৮ বিলিয়ন ইউএস ডলার। এটি সবার জানা যে ভারত আমাদের রপ্তানিযোগ্য পণ্যের ওপর যেভাবে শুল্ক আরোপ করে তাতে আমাদের পণ্য আর প্রতিযোগিতামূলক থাকে না।
ভারতের মনোভাব বাংলাদেশের প্রতি বন্ধুসুলভ নয়। ভারতীয় পণ্য বিনা পয়সায় আসে না। আগেও আসতো না। বিকল্প উৎস অনুসন্ধান করে সে সকল উৎস থেকে আমদানি করা উত্তম। দেশের স্বার্থে ভারত নির্ভরশীলতা যত কমানো যায় তত ভাল।
.png)
আমরা পাক-শোষণের স্বীকার হয়েছি পঁচিশ বছর। আর ভারতের শোষণের স্বীকার হচ্ছি গত ৫২ বছর ধরে। অর্থনীতির পরিসংখ্যান দিতে গেলে ফেসবুকের সীমিত জায়গা কুলোবে না। বইয়ের একাধিক খণ্ড লাগবে। এক কথায় বলবো প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সাথে সম্পর্ক হতে হবে ন্যায্যতা, সমতা এবং পারস্পরিক সন্মানবোধের ভিত্তিতে। এই জায়গাটি আমাদের গত ৫২ বছরে তৈরি হয়নি। গত ১৬ বছরে আমরা মূলতঃ করদরাজ্যে পরিণত হয়েছি।
নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য সোজা হয়ে দাঁড়াতে হবে। যেখানে যেখানে সম্ভব ভারতমুখীতা এড়াতে হবে। যেটা নিতে হবে সেটা বহির্বিশ্বের বাজারের সাথে প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে নিতে হবে। এখানে ভারত প্রেম বা বিদ্বেষ ইস্যু নয়। আগে আমার দেশ- বাংলাদেশ।