পরিবারগুলো দ্রুত সন্তানের লাশ ফিরে পাওয়ার আকুতি জানালেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ডিএনএ পরীক্ষা করে পরিচয় নিশ্চিত হয়েই প্রকৃত পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।
রোববার সরেজমিন দেখা গেছে, ১৩ বছর বয়সী জামিনুল ইসলামকে হারিয়ে পাগলপ্রায় তার মা জামিলা। তিনি জানান, জামিনুল নিখোঁজ হয় ঢাকার সাভার থেকে। জামিলার দাবি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় তার সন্তানকে হত্যা করা হয়। তাই সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে থাকা শিশুর বেওয়ারিশ লাশটি তাদের সন্তানেরই।
.png)
এদিকে, একই লাশের দাবিদার মোহাম্মদপুরের ১৩ বছর বয়সী শিশু শামীমের অভিভাবকরাও। সুরতহালের প্রতিবেদনের তথ্য দেখে তারা ধারণা করছেন বেওয়ারিশ হিসেবে মর্গে থাকা লাশটি শামীমের হতে পারে।
অন্যদিকে, ছাত্র আন্দোলন চলাকালে নিখোঁজ রাজধানীর গুলিস্তানের শাহিন হোসেনের পরিবারের দাবিও একই। তাদের হারিয়ে যাওয়া সন্তানের বয়স ১৩ বছর। আর লাশের সুরতহাল প্রতিবেদনে বয়স ১৩ বছর বলা হয়েছে, তাই এটা শাহিনের লাশ হতে পারে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দাবিদারদের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। শনাক্তের পর প্রকৃত স্বজনের হাতে লাশ তুলে দেওয়া হবে।
শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. নন্দ দুলাল সাহা জানান, দাবিদারদের মধ্যে যার সঙ্গে ডিএনএ মিলবে, আইনিভাবে তাকেই লাশ ফেরত দেওয়া হবে।