বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তিনি ইরানের উদ্দেশে রওনা হন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, জানাজা শেষে আগামী ৪ জুলাই স্পিকারের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
.png)
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ১৯৩৯ সালের ১৯ এপ্রিল ইরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মাশহাদ শহরে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের পর ইরানের নতুন রাষ্ট্রীয় কাঠামো গঠনে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৮০ সালে স্বল্প সময়ের জন্য প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। পরে ইরান-ইরাক যুদ্ধের সময় ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং পরবর্তীতে দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর ইরানের বিশেষজ্ঞ পরিষদ (অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস) তাকে দেশের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে। সরকারি তথ্যমতে, চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় তিনি নিহত হন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।
খামেনির শেষ বিদায়ে অংশ নিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধি, কূটনীতিক এবং উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের তেহরানে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।